১২ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং, ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
head banar ads here

এবার বুঝুন আমাদের অবস্থা, যদি সময়মতো বেতন না পাই তাহলে কি করে বাঁচবো

মঙ্গলবার, ২২/০৮/২০১৭ @ ১:৫০ অপরাহ্ণ

Spread the love
এবার বুঝুন আমাদের অবস্থা, যদি সময়মতো বেতন না পাই তাহলে কি করে বাঁচবো

এবার বুঝুন আমাদের অবস্থা, যদি সময়মতো বেতন না পাই তাহলে কি করে বাঁচবো

আরটিএমনিউজ২৪ডটকম, অনলাইন ডেস্কঃ নয় মাস পর্যন্ত বেতন পান না ওমানে কর্মরত অনেক বাংলাদেশী শ্রমিক। এমন শ্রমিকদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে মাস্কটে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা। এরই মধ্যে বেতন না পাওয়া ১০০ থেকে ১৫০ জন শ্রমিকের অভিযোগ পেয়েছেন তারা।

 

এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, বাংলাদেশী শ্রমিকদের বেতন সময়মতো পরিশোধ করা হয় নি। এমন বেশ কিছু অভিযোগ নিয়ে আমরা কাজ করছি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ওমান। বারকা’তে কর্মরত শ্রমিকরা বলেছেন, তাদেরকে এক বছরের মতো নিয়মিত বেতন দেয়া হয় না। তাদের একজন বলেছেন, আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু সময়মতো বেতন পাচ্ছি না। দুই থেকে তিন মাস পর পর বেতন পাই। তাও মাত্র এক মাসের। আমি সর্বশেষ বেতন তুলেছি এ বছরের ৯ই জুলাই। বাংলাদেশের আরেক শ্রমিক বলেন, মাসে আমার বেতন ৯৫ ওমানি রিয়াল। এর সঙ্গে অন্যান্য ভাতা আছে মাসে ২৫ রিয়াল। এবার বুঝুন আমাদের অবস্থা, আমরা যদি সময়মতো বেতন না পাই তাহলে কি করে বাঁচবো।

 

এ কারণে অনেক শ্রমিক ওমান ছেড়ে গেছেন। এর একটাই কারণ। তা হলো সময়মতো বেতন না পাওয়া। ওমানের আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত তারিখের সাত দিনের বেশি কোনো শ্রমিকের বেতন আটকে রাখা যাবে না। কেউ যদি এটা করেন তাহলে তা হবে অবৈধ। আইন লঙ্ঘন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, তারা প্রথমেই বিষয়টি নিয়োগকারী ও শ্রমিকদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে মিটিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবেন। যদি এভাবে সমাধান না হয় তাহলে আমরা শ্রমিকদের হয়ে আদালতে যাবো। সব সময়ই বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হওয়া উত্তম। কারণ, আদালতে রায় পেতে দীর্ঘ সময় লাগে।

 

তবে বাংলাদেশী শ্রমিকরা বলেছেন, তারা যখন ওমান ছেড়ে যান তখনও তাদের বেতন পরিশোধ করা হয় না। একজন শ্রমিক বলেন, কোম্পানি তাকে কিছু অর্থ পরিশোধ করেছে। তারা বলেছে, বাকি অর্থ তারা একাউন্টে পাঠিয়ে দেবে। এ মাসের শুরুর দিকে সোহার এলাকার কিছু শ্রমিক অভিযোগ করেছেন তাদেরকে কয়েক মাস ধরে বেতন পরিশোধ করা হয় না। এ জন্য তারা নাজুক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দিন পাড় করছেন। এর পর পরই সরকারের পদক্ষেপে প্রায় ৮০০ শ্রমিককে সহায়তা করা হয়েছে। উৎসঃ মানবজমিন ।