২২শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৮ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
bg1
head banar ads here

চট্টগ্রামে পিতাকে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টা ছেলের

রবিবার, ১০/০৯/২০১৭ @ ২:০৮ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামে পিতাকে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টা ছেলের

চট্টগ্রামে পিতাকে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টা ছেলের

আরটিএমনিউজ২৪ডটকম, চট্টগ্রামঃ   চট্টগ্রাম মনগরীর সদরঘাট থানাধীন পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকায় শারীরিক প্রতিবন্ধী পিতাকে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টার সময় ধরা পড়েছে মা, ছেলে, মেয়ে ও খালাসহ ৫ জন।

পুলিশ জানায় (৯ সেপ্টেম্বর) শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে বস্তাভর্তি তৈয়ব আলীর লাশ নগরীর পশ্চিম মাদারবাড়ি বালিকা বিদ্যালয়ের পার্শ্বে (রশিদ বিল্ডিং এর কাছে) রাস্তার পাশে ড্রেনে ফেলে দেয়ার সময় স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ প্রথমে ছেলে মো. সোহেল (১৯), এবং লাশ বহনকারী রিক্সা চালককে (অজ্ঞাত) আটক করে। পরে তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক সোহেলের মা কোহিনুর বেগম (৩৮), খালা জাহানারা বেগম (৪১) বোন বৃষ্টিকে (১৭) কে গ্রেফতার করা হয়।

সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর বলেন, “সোহেল তার বাবা তৈয়ব আলীকে খুন করে বস্তায় ভরে শনিবার রাতে রশিদ বিল্ডিং এলাকায় কভার্ডভ্যান স্ট্যান্ডের বড় নালায় লাশটি ফেলতে যায়।এসময় এলাকার দারোয়ান নালায় কী ফেলা হচ্ছে জানতে চাইলে সোহেল, তার সাথে থাকা এক বন্ধু ও রিকশাচালক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সোহেলের ওই বন্ধু পালিয়ে গেলেও দারোয়ান স্থানীয়দের নিয়ে সোহেল ও রিকশাচালককে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়।”

পরে পুলিশ গিয়ে সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে সোহেল ও রিকশাচালককে গ্রেপ্তার করে বলে এসি জাহাঙ্গীর জানান।

তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল তার বাবাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী টং ফকির এলাকার বাসা থেকে তার মা কোহিনূর, খালা জাহানারাকে গ্রেপ্তার এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার ছোট বোনকে আটক করা হয়।গ্রেপ্তাররা জানিয়েছে, শারীরিক প্রতিবন্ধী তৈয়ব বিভিন্ন সময় টাকা-পয়সার জন্য ছেলে ও স্ত্রীকে নির্যাতন করে। শুক্রবার রাতে তৈয়ব আলী বাসায় গিয়ে স্ত্রীর কাছ থেকে ৫০০ টাকা চায়। এসময় তারা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তৈয়ব আলীর সাথে তাদের গভীর রাত পর্যন্ত ঝগড়া হয়।

“ঝগড়ার এক পর্যায়ে রাত পৌনে ২টার দিকে সোহেল তার বাবাকে কাঠের ব্যাট দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। এসময় তার মা কোহিনূর ও খালা জাহানারা গলা টিপে ধরে।

“ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সে তার বাবার মুখে বালিশ চাপা দেয় এবং মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য কাঁচি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ৪০/৫০টি আঘাত করে। পরে মা ও খালার সহায়তায় লাশটি বস্তায় ভরে রেখে দেয়।”

পুলিশ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আরও বলেন, সোহেল তার এক বন্ধুর পরামর্শে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে শনিবার রাতে রশিদ বিল্ডিং এলাকায় নালায় ফেলতে যায়। তার ওই বন্ধুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি। সুত্রঃ সিটিজি টাইমস ।

If you like the website, recommend it gladly.
Like Button without ringing home

এই পাতার আরো সংবাদ