২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ৭ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
head banar

মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের নির্বিচার হত্যার প্রতিবাদে কলকাতায় বিশাল সমাবেশ

Tuesday, 12/09/2017 @ 7:24 pm

মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের নির্বিচার হত্যার প্রতিবাদে কলকাতায় বিশাল সমাবেশ

মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের নির্বিচার হত্যার প্রতিবাদে কলকাতায় বিশাল সমাবেশ

আরটিএমনিউজ২৪ডটকম, কলকাতাঃ   মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যার প্রতিবাদে  গতকাল সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) কলকাতার সব কটি মুসলিম সংগঠন নেমেছিল রাজপথে ।

বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সমাবেশে উপস্থিত মুসলমানরা । নেতৃত্বে ছিলো পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন।

কলকাতার সবকটি দৈনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে বেশ গুরুত্ব দিয়ে ছাপিয়েছে মিয়ানমার বিরোধী মুসলমানদের এই বিক্ষোভ সমাবেশের খবর।

বিক্ষোভ মিছিলে মিয়ানমার সরকার ও অং সান সু চি-র বিরুদ্ধে এবং রোহিঙ্গা হত্যা বন্ধে আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপের দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়।

পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সম্পাদক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, বিভিন্ন সংগঠনসহ লক্ষাধিক মানুষের জমায়েত হয়েছে। আমরা পার্ক সার্কাস থেকে মিছিল করে মিয়ানমারের দূতাবাস ঘেরাও করবো। যে ভাবে নির্বিচারে মানুষ হত্যায় মেতেছে মিয়ানমার, তাতে তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আজ তো শান্তির মাধ্যমে জমায়েত করে দূতাবাস ঘেরাও করছি। মিয়ানমার সরকার মানুষকে মানুষের মর্যাদা না দিলে আগামী দিনে আরও বড়ো আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।

বিক্ষোভ মিছিলের অন্যান্য বক্তা ও জমায়েত হওয়া মানুষদের ক্ষোভ দেখা গেছে ভারতের সরকারের বিরুদ্ধেও। বিশেষ করে দেশের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে। রোহিঙ্গাদের যখন মেরে তাড়ানো হচ্ছে, ঠিক সেই সময় মিয়ানমার সফরে যান মোদি। তিনি সেখানে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কড়া বক্তব্য রাখবেন এমনটাই আশা ছিলো। তা তিনি একাবারের জন্যও করেননি।

বিক্ষোভকারীরা মিয়ানমারের সর্বোচ্চ নেত্রী অং সান সু চি-র বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছিলেন। তাদের স্লোগানে এটাও ছিল যে, বিশ্বশান্তির নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন কী করে রোহিঙ্গাদের এই নির্বিচার হত্যা হতে দিচ্ছেন নিজের দেশে!

স্টুডেন্টস ইসলামিক অর্গানাইজেশনসহ বারোটি মুসলিম ও মানবাধিকার সংগঠন সোমবারের বিক্ষোভে সামিল হয়। মিছিলের স্লোগান-পোস্টারে সংগঠনগুলোর ক্ষোভ যে মূলত আং সান সু চি এবং মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে, সেটা স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছিল।

বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা বলছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে তারা হতাশা ব্যক্ত করেন। “মানুষ মারার কারবার চলছে সেখানে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী সেদেশে গেলেন, ডিনার করলেন, নানা চুক্তি সই করলেন, অথচ তিনি ওই ঘটনার কোনও প্রতিবাদ করলেন না! আমরা সবাই আশা করেছিলাম তিনি হয়তো কিছু বলবেন। হতাশ হয়েছি।

পুলিশি বাধার মুখে যুব ফেডারেশন নেতা কামরুজ্জামানানের নেতৃত্বে প্রতিবাদের স্মারক লিপি জমা দেয়া হয় বার্মিজ দুতাবাসে ।

খম/১২৯১৭

 

এই পাতার আরো সংবাদ
bg1
bg1
top-banner
bg1