১১ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং, ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
head banar ads here

অবশেষে জামিনে মুক্ত লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডা. সালাহউদ্দিন শরিফ

মঙ্গলবার, ০৫/১২/২০১৭ @ ৮:৫৬ অপরাহ্ণ

Spread the love

অবশেষে জামিনে মুক্ত লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডা. সালাহউদ্দিন শরিফ

আরটিএমনিউজ২৪ডটকম, নিউজ ডেস্কঃ তুচ্ছ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত লক্ষ্মীপুরের সাবেক সিভিল সার্জন ডা. সালাহউদ্দিন শরিফ জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
এদিকে দণ্ডিত চিকিৎসক মুক্তি পাওয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া জেলাব্যাপী কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন চিকিৎসকরা।

মঙ্গলবার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মীর শওকত হোসেন জামিন আদেশ দিলে বেলা সোয়া ১১টার দিকে মুক্তিপান ডা. সালাহউদ্দিন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করলে সালাহউদ্দিনকে জামিন দেন আদালত। লক্ষ্মীপুর জেলা বিএমএ সভাপতি ডা. আশফাকুর রহমান মামুন এবং জেলা কারাগারের জেলার শরীফুল ইসলাম জামিন ও কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, সকাল থেকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা জেলা আদালতপাড়ায় অবস্থান করায় চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এতে রোগীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েন। পরে ডা. সালাহউদ্দিন শরিফ জামিনে মুক্তি পেলে চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়।

উল্লেখ্য, সোমবার সকাল ৯টার দিকে শহরের জেলা প্রশাসকের বাসভবন এলাকার কাকলি শিশু অঙ্গনের (বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) প্রবেশমুখে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মুর্শিদুল ইসলাম ও সাবেক সিভিল সার্জন ড. সালাহউদ্দিন শরিফের মধ্যে বাকবিতণ্ডার পর হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এর পর ডা. সালাহউদ্দিনকে আটক করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নেয়া হয়। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। পরে পুলিশ তাকে কারাগারে পাঠায়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আদালত পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুজ্জামান।

এ ঘটনার পর সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর হাসপাতালে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে আলোচনাসভায় জেলা বিএমএ ও স্বাচিপ নেতারা মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেন। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার মধ্যে মুক্তি না দিলে কর্মবিরতিসহ কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন চিকিৎসক নেতারা।

এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএমএ সভাপতি ডা. আশফাকুর রহমান মামুন, স্বাচিপ সভাপতি ডা. জাকির হোসেন, ডা. নুরুল ইসলাম, ডা. শংকর কুমার বশাক, ডা. আলতাফ হোসেন, ডা. হামিদ হোসেন, ডা. মোরশেদ আলম ও ডা. আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।সুত্রঃ যুগান্তর।