২৩শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং, ১১ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
ads here

সাব্বিরের বেপরোয়ায় হতবাক সুজন

বৃহস্পতিবার, ২৮/১২/২০১৭ @ ৭:২৩ অপরাহ্ণ

Spread the love

সাব্বিরের বেপরোয়ায় হতবাক সুজন

ক্রীড়া ডেস্কঃ বাংলাদেশ ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকেই ব্যাডবয়ের খেতাব পেয়ে গেছেন সাব্বির রহমান রুম্মন। ম্যাচে খেলোয়াড়তো বটেই আম্পায়ারদের গালি দিয়ে জরিমানা গুনেছেন হরহামেশাই। সদ্য শেষ হওয়া বিপিএলেও গুনেছেন দেড় লাখ টাকা। গত বিপিএলে নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে গুনেছিলেন সাড়ে ১২ লাখ। শুধু তাই নয় আন্তর্জাতিক ম্যাচেও বিশ্বতারকাদের মাত্রাতিরিক্ত স্লেজিং করেও গুনেছেন বড় অঙ্কের জরিমানা। সদ্য শেষ হওয়া জাতীয় লিগেও দর্শকদের পিটিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন। আর এ ঘটনা জেনে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেছেন বাংলাদেশ দলের অলিখিত কোচ টেকনিক্যাল ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন।

ঘটনাটি ঘটেছে জাতীয় লিগের ষষ্ঠ ও শেষ রাউন্ডের ম্যাচে। ২১ ডিসেম্বর রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে গ্যালারিতে একটি ছেলে সাব্বিরকে উত্তক্ত করার চেষ্টা করে। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে যান সাব্বির। তখন আম্পায়ারদের অনুমতি নিয়ে ১ ওভারের জন্য বাইরে যান তিনি। এরপর বল বয়কে দিয়ে সে ছেলেকে ডেকে এনে সাইট স্ক্রিনের পেছনে নিয়ে তাকে চড় থাপ্পর মারেন বলে অভিযোগ উঠেছে সাব্বিরের নামে। ম্যাচ রেফারি শওকতুর রহমান চিনু তার বিরুদ্ধে অভিযোগও করেছেন।

এছাড়াও ঘটনার পর এ নিয়ে দুই আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারি সাব্বিরকে ডেকে এনে শুনানিতে বসতে চাইলে তাদের অপমান করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে সাব্বিরের নামে।

এ বিষয়ে ম্যাচ রেফারিদের কোন রকম রিপোর্ট না করতে হুমকিও দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
সাব্বিরের এমন আচরণে অবাক সুজন বলেছেন, ‘সে একজন রোল মডেল, কেউ সাব্বিরের মতো হতে চাইবে কেউ রিয়াদের মতো হতে চাইবে। আপনি যদি মাঠে যদি কোন ছেলের গায়ে হাত তোলেন এটা খুবই বাজে একটা ব্যাপার। এটা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ বিষয়য়ে ম্যাচ রেফারির রিপোর্টও এসেছে। সাব্বিরেরও বলার কিছু আছে হয়তোবা। বোর্ড এসব জিনিস এখন মেনে নেয় না। যেটাই হয়েছে বোর্ডে এটার মূল্যায়ন হবে। এরপর এটার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে।’

তবে বিষয়টি হিট অব দ্যা মোমেন্টও হতে পারে বলে মনে করেন সুজন। তবে সেক্ষেত্রেও একজন খেলোয়াড়কে এসব ব্যাপার নিয়ন্ত্রণ করা উচিৎ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়াও এ বিষয়ে নিজে সাব্বিরের সঙ্গেও আলোচনা করবেন সুজন। উল্লেখ্য, বিসিবি’র জেনারেল কোড কন্ডাক্টে লেভেল ফোর ধারায় এমন অপরাধে শাস্তিটা ন্যূনতম ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং তিন থেকে ছয়মাস ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে তিনি বহিষ্কার থাকবেন সাব্বির।সুত্রঃ পরিবর্তন ডটকম।