, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

admin

ভাষা আন্দোলনের পটভূমি

প্রকাশ: ২০১৮-০২-২০ ২২:০৭:১৩ || আপডেট: ২০১৮-০২-২০ ২২:০৭:১৩

Spread the love

ভাষা আন্দোলনের পটভূমি :
সংকলনে, সুজন দাশ।

ভাষা আন্দোলনের পটভূমি

একুশের সকালে “আমার ভাইয়ের রক্ত রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি” এই গানটি গুন গুন করে গায় না এমন বাঙালী খুজেঁ পাওয়া দুষ্কর বলা যায়। কারন এই গানের সাথে মিশে বাঙালীর ইতিহাস, এই ইতিহাস গর্ব করার। ভাষার জন্য পৃথিবীতে কোন জাতিকে রক্ত দিতে হয় নি।

২১ শে ফেব্রুয়ারী বাঙালীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক গৌরবউজ্জ্বল দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সুপরিচিত। বাঙালী জাতির ইতিহাসের একটি স্মৃতিবিজড়িত দিন হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়ে আছে।

১৯৪৭ এর দেশ বিভাগের পর থেকে পূর্ব পাকিস্থানের অধিবাসীরা নানান শোষন নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছিলো। এ নিয়ে বাঙালী তরুনদের মনে চাপা ক্ষোভ জমে ছিলো। ১৯৪৮ এর মার্চ মাসে এ ভাষা নিয়ে সীমিত পর্যায়ের আন্দোলন হয়েছিলো। তা চরমে রুপ নেয় ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি।

ঐদিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা বঙ্গ করে ভাষার দাবীতে মিছিল বের করে। সে মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়, সেই গুলিতে হতা-হত হন সালাম বরকত জব্বার সহ নাম না জানা অনেকে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ ঢাকাবাসী আবার ২২ ফেব্রুয়ারি রাজ পথে নেমে আসেন।
তারা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গনে শহীদদের জন্য গায়েবি জানাজায় অংশ গ্রহন করেন।
ভাষা শহীদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য মেডিকেল হোস্টেলে এক রাতের মধ্যেই তৈরী করা হয় স্মৃতি স্তম্ভ। যা সরকার ২৬ তারিখে গুড়িয়ে দেয়।
এই ঘটনার মধ্যদিয়ে ভাষা আন্দোলন আরো বেগবান হয়।
ইতিহাসের আরো একটু পেছনে তাকালে দেখতে পাবো।
১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্রিটিশ ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তানের উদ্ভব হয়। কিন্তু পাকিস্তানের দু’টি অংশ— পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক ও ভাষাগত দিক থেকে অনেক মৌলিক পার্থক্য বিরাজ করছিল। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করে যে, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে পূর্ব পাকিস্তানে অবস্থানকারী বাংলাভাষী সাধারণ জনগণের মধ্যে গভীর ক্ষোভের জন্ম হয় ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। কার্যত পূর্ব পাকিস্তান অংশের বাংলাভাষী মানুষ আকস্মিক ও অন্যায্য এ সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে পারেনি এবং মানসিকভাবে মোটেও প্রস্তুত ছিল না। ফলস্বরূপ বাংলাভাষার সমমর্যাদার দাবিতে পূর্ব পাকিস্তানে আন্দোলন দ্রুত দানা বেঁধে ওঠে। আন্দোলন দমনে পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে ঢাকা শহরে সমাবেশ-মিছিল ইত্যাদি বেআইনী ও নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৯ মে অনুষ্ঠিত গনপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ক্রমবর্ধমান গণআন্দোলনের মুখে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয় এবং ১৯৫৬ সালে সংবিধান পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি প্রদান করে।

তখন থেকে এ দিনটি জাতীয় শোক দিবস হিসেবে প্রতি পালিত হয়ে আসছে।১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি বাঙালীরা যে চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বুকের তাজা রক্ড দিয়ে বাংলা ভাষাকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্টিত করেছিলো তা আজ দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে ও স্বীকৃতি লাভ করেছে।

১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো বাংলা ভাষা আন্দোলন, মানুষের ভাষা এবং কৃষ্টির অধিকারের প্রতি সম্মান জানিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে—যা বৈশ্বিক পর্যায়ে প্রতি বছর গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে উদযাপন করা হয়।
সংকলনে, সুজন দাশ।

বাংলাদেশের যেকোনো জায়গা থেকে প্রার্থী হলে আমি জিতে আসতাম’- ঢাকার গুলশান এলাকার বিএনপি মনোনীত প্রার্থী
চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া সাতকানিয়া) আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের বিনা ওয়ারেন্টে বা মামলা ব্যতীত গ্রেফতার
অবশেষে বহিস্কৃত হল আওয়ামী লীগের সেই নেত্রী সুইটি। দেশ ও দেশের বাইরে ছড়িয়ে সেই ভাইরাল
একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর মনোনয়ন
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী এম এ হান্নান পুলিশের ভয়ে মঙ্গলবার এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন।

Logo-orginal

আর টি এম মিডিয়া কর্তৃক প্রকাশিত