, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯

admin

বাংলাদেশে নষ্ট মোবাইল ফোন সেট ফেরতের বিনিময়ে টাকা দেবার উদ্যোগ

প্রকাশ: ২০১৯-০২-০৩ ২০:২৮:২২ || আপডেট: ২০১৯-০২-০৩ ২০:২৮:২২

Spread the love

নষ্ট মোবাইল ফোন কী করবেন, কোথায় ফেলবেন – এনিয়ে অনেকে বেশ চিন্তিত থাকেন। এটি এমন এক ধরণের জিনিস যা নষ্ট হয়ে গেলেও সহজে ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলতেও খারাপ লাগে। খবর বিবিসি বাংলার ।

তাহলে কী করা যেতে পারে?

বাংলাদেশের মোবাইল ফোন আমদানিকারকরা বলছেন, নষ্ট মোবাইল ফোন তাদের কাছে জমা দিলে টাকা পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি রুহুল আলম আল মাহবুব জানিয়েছেন, নষ্ট মোবাইল ফোন ফেরত দিলে যাতে ফোনের মালিক কিছু টাকা পায় – সে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

মি: মাহবুব বলছেন, একটি মোবাইল ফোন সেট গড়ে তিন বছরের বেশি ব্যবহার করা যায়না। ফলে তিন বছর পরে এটি ইলেকট্রনিক বর্জ্যে পরিণত হয়।

“বাংলাদেশের ১০০টি শপিং মল-এ আমাদের বুথ থাকবে, যেখানে নষ্ট মোবাইল ফোন ফেরত দিয়ে টাকা পাওয়া যাবে,” মি: মাহবুব বলছেন।

বাতিল বা নষ্ট ফোন সেটগুলো ফেলে দেয়া হলে তা পরিবেশের ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে।
খুব শীঘ্রই এ ব্যবস্থা চালু হতে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন মি: মাহবুব।

প্রথম দফায় ঢাকার পাঁচ থেকে ১০টি শপিং মলে এ উদ্যোগ কার্যকর করা হবে। এরপর পুরো বাংলাদেশে সেটি চালু হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মোবাইল ফোন আমদানিকারকদের সংগঠন বলছে, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় চার কোটি মোবাইল হ্যান্ড সেট নষ্ট হয়।

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ প্রতি বছর প্রায় তিন কোটি হ্যান্ড সেট আমদানি করা হচ্ছে।

ফলে এখান থেকে যে ইলেকট্রনিক বর্জ্য তৈরি হচ্ছে সেটি পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।

মি: মাহবুব বলেন, যারা নষ্ট মোবাইল ফোন দিতে আসবে, তাদের যদি কিছু টাকা না দেয়া হয়, তাহলে বিষয়টিতে মানুষজনের আগ্রহ থাকবে না।
তবে কত টাকা দেয়া হবে – সেটি নির্ধারিত হবে মোবাইল ফোনের অবস্থার উপর ভিত্তি করে।

নষ্ট মোবাইল দিয়ে কী হবে?
বাংলাদেশে প্রতি বছর বেশ দ্রুততার সাথে ইলেকট্রনিক বর্জ্য বাড়ছে।

বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের এক হিসেবে বলা হচ্ছে, ২০১৮ সালে বাংলাদেশে চার লাখ টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য হয়েছে।
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এটি ১২ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে।

মোবাইল ফোন ইমপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রুহুল আলম আল মাহবুব বলছেন, ইলেকট্রনিক বর্জ্যের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণের মাত্রা অবনতির দিকে যাচ্ছে।

এ দূষণ ঠেকানোর জন্যই নষ্ট মোবাইল ফোন সেট সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।
তিনি বলেন, এ উদ্যোগ সফলভাবে কার্যকর করা গেলে, নষ্ট ল্যাপটপ কিংবা অন্যান্য ইলেকট্রনিক বর্জ্য সংগ্রহের প্রবণতা গড়ে উঠবে।

নষ্ট মোবাইল ফোন সেট সংগ্রহ করে সেগুলো বিভিন্ন রি-সাইক্লিং শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে সরবরাহ করা যাবে।

এসব ফোন সেটের বিভিন্ন উপাদান থেকে নানা রকমের জিনিস উৎপাদনের কাজে লাগতে পারে।

মি: মাহবুব বলেন, “আমরা সম্পূর্ণ সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কাজটি করছি। তবে এজন্য সরকার এবং রি-সাইক্লিং শিল্পকে এগিয়ে আসতে হবে।”

“কারণ, নষ্ট মোবাইল ফোন ফেরত দিয়ে মানুষ যদি কিছু টাকা না পায়, তাহলে তারা উৎসাহিত হবে না।”

কুয়েতে না ফেরার দেশে চলে গেল আরও এক বাংলাদেশী রেমিট্যান্স যোদ্ধা। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না
চট্টগ্রামের আলেচিত প্রয়াত সাংসদ বাদলের আসনে আওয়ামীলীগের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন জননেতা জনাব মোছালেম উদ্দিন। সোমবার
ইসমাঈল হোসেন নয়ন, রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ রাঙ্গুনিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস ২০১৯ উপলক্ষে দুর্নীতি দমন কমিশন
আলজেরিয়ার কারা অধিদপ্তর ঘোষণা করেছে, জেলখানায় যে সব বন্দি কোরআনে কারিম হেফজ (মুখস্থ) করবে, তাদেরকে
চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার ১ নম্বর ওয়ার্ডের রঙ্গিপাড়ার পশ্চিম দেওয়ান নগর গ্রামের মৃত কাজী নূর মোহাম্মদের

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Logo-orginal