, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯

admin

দৈনিক আজাদীকে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করার আহ্বান ড. অনুপম সেনের

প্রকাশ: ২০১৯-০৪-১৯ ২২:৩০:২৭ || আপডেট: ২০১৯-০৪-১৯ ২২:৩০:২৭

Spread the love

চট্টগ্রাম: স্বাধীনতা সংগ্রামে আজাদীর ভূমিকা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সমাজবিজ্ঞানী ড. অনুপম সেন।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে ‘আনন্দধারা’ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদের স্বাধীনতা পুরস্কার ও দৈনিক আজাদীর বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল পদক প্রাপ্তিতে চট্টগ্রাম একাডমি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ড. সেন বলেন, অধ্যাপক খালেদ এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন। জীবদ্দশায় তার এ পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল না, কারণ রাষ্ট্রক্ষমতায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি ছিল না। মাঝখানে একবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেও চারদিক গোছাতে সময় চলে যায়।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রামের বড় ভূমিকা ছিল। ৬ দফা দেখে ঢাকার আওয়ামী লীগ নেতারা ভীত ছিলেন। আতাউর রহমানসহ অনেকে ভয় পেলেন। বঙ্গবন্ধু চট্টগ্রামের লালদীঘিতে ৬ দফা ঘোষণা করলেন। বঙ্গবন্ধুর একপাশে এমএ আজিজ, আরেক পাশে জহুর আহমদ চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন ছাত্রনেতারা।

যুদ্ধদিনের স্মৃতিচারণ করে ড. সেন বলেন, আমার মা প্রতিদিন রেডিও শুনতেন। ২৬ মার্চ তিনি আরেকজনকে বললেন, ঢাকার রেডিও স্টেশন বন্ধ।

ড্রাইভার এসে বললো, আন্দরকিল্লায় সৈন্যরা বলছে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেছে। ১৭-২৩ মার্চ আমরা অনুষ্ঠান করি। আমরা আজাদী অফিসে গেলাম। সেখানে সাইক্লোস্টাইলে ছাপা কয়েকশ’ বঙ্গবন্ধুর ঘোষণাপত্র দেখি। স্বাধীনতা সংগ্রামে আজাদীর ভূমিকা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা আজাদীর কোহিনূর ইলেকট্রিক প্রেসে ছাপানো হয়েছিল। দেশ স্বাধীনের পর প্রথম ছাপা হয় দৈনিক আজাদী।

১৯৭১ সালে অধ্যাপক খালেদকে কলকাতায় দেখেছি। ফজলুল কাদের চৌধুরীকে নির্বাচনে হারিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু তাকে গভর্নর বানিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমরা শোষকের গণতন্ত্র চাই না, শোষিতের গণতন্ত্র চাই। সাধারণ মানুষের মুক্তি চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। প্রতি বুধবার কবি অরুণ দাশগুপ্তের বাসায় আমরা মিলিত হতাম।

দৈনিক আজাদীকে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করার আহ্বান জানান ড. অনুপম সেন।
অনুষ্ঠানে দৈনিক আজাদী সম্পাদক এমএ মালেক, অধ্যাপক খালেদের ছেলে স্লোগান সম্পাদক মোহাম্মদ জহিরের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ড. অনুপম সেন।

আজাদী সম্পাদক এমএ মালেক বলেন, অধ্যাপক খালেদ সহজ, সরল সাধারণ ব্যক্তিত্ব আর বাংলাদেশে আছেন কিনা জানি না। হমায়ূন আহমেদের লেখায় পড়েছিলাম, সাধারণ হওয়া অসাধারণ কাজ। ১০৪ ডিগ্রি জ্বর নিয়ে কথা রাখার জন্য বাঁশখালী ছুটে গেছেন। আমার সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য বাবা মারা যাওয়ার পর সম্পাদক হিসেবে অধ্যাপক খালেদকে পেয়েছি। সংবাদ লেখা, উপ সম্পাদকীয় সব উনি দেখতেন। আমি দেখতাম প্রিন্টিং সাইট, সকালে কাগজটা ছাপিয়ে দেওয়া।

তিনি বলেন, পাঠকের প্রত্যাশার ৮০ ভাগ পূরণ করতে পেরেছি। পত্রিকার মতো রাষ্ট্রও যদি সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারে তবে পিছিয়ে পড়তে হয়।ষাটের দশকে প্রিন্টিং খাতের পরিবর্তনগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলেছে আজাদী। চট্টগ্রামের বড় ঘটনা আমরা চট্টগ্রামের ভাষায় হেডলাইন করি। এভাবে আজাদী চট্টগ্রামবাসীর কাগজে পরিণত হয়েছে।

তিনি প্রশ্ন করেন, গভর্নমেন্ট রিপাবলিক অব বাংলাদেশের বাংলা ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’ করা হয়েছে। এখানে প্রজা শব্দটি কেন আসবে? আমি গুগলে অনেক খুঁজেও সদুত্তর পাইনি।

লায়ন জেলা গভর্নর কামরুন মালেক ফুলেল শুভেচ্ছা জানান চট্টগ্রাম একাডেমির পরিচালক আমিনুর রশীদ কাদেরী।

কামরুন মালেক বলেন, জানি না দেশে আরেকজন খালেদ সাহেব জন্ম নেবেন কিনা। খুব কাছ থেকে তাকে দেখেছি। অধ্যাপক খালেদের স্ত্রী ছিলেন মহীয়সী নারী। তার প্রেরণায় তিনি এতটা পথ পাড়ি দিয়েছেন।

মোহাম্মদ জহির বলেন, বাবা ও আজাদী পুরস্কার ও পদক পাওয়ায় আমরা আনন্দিত। বাবা বলতেন আমি আজাদীর খালেদ। আমরা আজাদীর পরিচয়ে পরিচিত।উৎসঃ বাংলা নিউজ ।

লোহাগাড়া প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সাংসদ প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভীর সাথে বাংলাদেশ প্রাবাসী
(সংগৃহীত ফাইল ছবি) কুয়েতের কারাগারে বন্দী থাকা মিশরের“ব্রাদারহুডের এক নেতাকে কায়রোর নিকট হস্তান্তর করেছে কুয়েত
ভারতের দিল্লিতে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষ চলাকালীন বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে।
পোশাক দেখেই যায় চেনা! নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের সরাসরি পোশাক দিয়ে চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে এক আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে যুবলীগ নেতার দ্বন্দ্ব রূপ নেয় সংঘর্ষে। এ ঘটনায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Logo-orginal