, সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯

admin

ভারতের নির্বাচনে নির্বাচিত হলেন ২৭ জন মুসলিম নেতা

প্রকাশ: ২০১৯-০৫-২৫ ১৪:১২:০৩ || আপডেট: ২০১৯-০৫-২৫ ১৪:১২:০৩

Spread the love

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে মুসলমান আইনপ্রণেতাদের সংখ্যা বেড়েছে। এবারের নির্বাচনে ২৭ মুসলমান প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। তাদের মধ্যে কাশ্মীরের ফারুক আব্দুল্লাহ ও হায়দরাবাদের আসাদউদ্দিন ওয়াইসি উল্লেখযোগ্য।

গত লোকসভায় ২৩ মুসলমান সদস্য ছিলেন। তাদের অধিকাংশই কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৮০ সালে সবচেয়ে বেশি মুসলমান প্রার্থী লোকসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ভারতের জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশ হচ্ছেন মুসলমানরা। এসব প্রার্থীরা তাদের হয়ে লোকসভায় প্রতিনিধিত্ব করেন।

হায়দরাবাদ থেকে দুই লাখ ৮২ হাজার বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন ওয়াইসি। এটা তার টানা চতুর্থ বিজয়। ভারতের সবচেয়ে বেশি মেয়াদে নির্বাচিত মুসলমান প্রার্থী হচ্ছেন তিনি।

তার দলের প্রার্থী সাবেক সাংবাদিক ইমতিয়াজ জলিল সাঈদ মহারাষ্ট্র থেকে ৪৫ হাজার বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন। উত্তর প্রদেশ থেকে চার মুসলমান প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এছাড়াও আরও দুই প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন।

ভারতের উত্তরপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম জনসংখ্যা খুব বেশি। ওই দুই রাজ্য থেকেই মুসলিম সম্প্রদায়ের ছয় জন করে প্রতিনিধি এবার সংসদে নির্বাচিত হয়েছেন।

উত্তরপ্রদেশে জয়ী ছয় প্রার্থীর মধ্যে বহুজন সমাজ পার্টি (বসপা) ও সমাজবাদী পার্টি (সপা) উভয়েরই তিনজন করে জয় পেয়েছেন। বসপার তিন জয়ী প্রার্থীরা হলেন গাজিপুর কেন্দ্রে আফজল আনসারি, সাহরানপুর কেন্দ্রে ফজলুর রহমান, আমরোহা কেন্দ্রে দানিশ আলি।

সপার জয়ী তিন প্রার্থী হলেন রামপুরা কেন্দ্রে আজম খান, সম্বল থেকে শফিক রহমান বার্ক, মোরাদাবাদ কেন্দ্রে এসটি হাসান সংসদের যাওয়ার ছাড়পত্র পেয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গ থেকে জয়ী ছয়জনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জয় পেয়েছেন পাঁচজন মুসলিম প্রার্থী আর কংগ্রেসের একজন।

মুসলিম অধ্যুষিত জম্মু-কাশ্মীর থেকে এবার মাত্র তিনজন মুসলিম প্রার্থী লোকসভায় যাচ্ছেন। প্রত্যেকেই ন্যাশনাল কনফারেন্স’র প্রার্থী। জয়ী প্রার্থীর মধ্যে অন্যতম হলেন শ্রীনগর লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী এনসি প্রধান এবং রাজ্যটির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা।

বিহার থেকে এবার সংসদে যাচ্ছেন মাত্র দুইজন মুসলিম প্রার্থী।

আসাম থেকে মুসলিম সাংসদ হয়েছেন দুই জন। ধুবড়ি থেকে বর্তমান সাংসদ ও এআইইউডিএফ প্রার্থী বদরুদ্দিন আজমল এবং বরপেটা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন কংগ্রেসের আবদুল খালেক।

লাক্ষাদ্বীপ থেকে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)-র টিকিটে লোকসভায় জয় পেয়েছেন মোহম্মদ ফয়জল। পাঞ্জাবের ফরিদাকোট আসনে জিতেছেন কংগ্রেসের মোহম্মদ সাদিক। তামিলনাড়ুর রামানাথনপুরম কেন্দ্রে জয় পেয়েছেন ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ প্রার্থী কে.নাভাস কানি।

ভারতের লোকসভায় সবচেয়ে বেশি মুসলিম সাংসদ ছিল ১৯৮০ সালে। সেবার সংসদের নিম্নকক্ষে মুসলিম এমপি ছিলেন ৪৯ জন। সবচেয়ে কম মুসলিম সাংসদ ছিল ১৯৫২ সালে, সেবার লোকসভায় তাদের প্রতিনিধি ছিল ১১ জন।

১৯৮৪ সালে ভারতের তৎকালীণ প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস নেত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পর পুত্র রাজীব গান্ধী ক্ষমতায় এলে লোকসভায় মুসলিম এমপির সংখ্যা ছিল ৪২ জন। ২০০৪ সালে ১৪ তম লোকসভা এবং ২০০৯ সালে ১৫ তম লোকসভায় কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের আমলে লোকসভায় জয়ী মুসলিম সংসদ সদস্যের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৩০ ও ৩৪ জন। #সংগৃহীত।

রাঙ্গামাটি: বাঁচানো গেলনা সন্ত্রাসীদের গুলিতে আগত সেনা সদস্য নাসিমকে। ১৯ বছর বয়সী নবীন সেনা সদস্য
ইসমাঈল হোসেন নয়ন,রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ ২০ বছর পর রাঙ্গুনিয়ায় হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামীকে
কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সাত যাত্রী নিহত হয়েছেন। রোববার (১৮
আফগানিস্তানের রাজধানীতে একটি বিবাহ অনুষ্ঠানকে লক্ষ্য করে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এতে ঘটনাস্থলে ৬৩ জন
লক্ষীপুরঃ এখনো চালাতে পারেনা তেমন, তবুও মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য বাবার কাছে আবদার করে বসে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Logo-orginal