, রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

admin

যাত্রা শুরু করল বহুল প্রত্যাশার ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল

প্রকাশ: ২০১৯-০৬-১৫ ১২:৫৭:১০ || আপডেট: ২০১৯-০৬-১৫ ১২:৫৭:১০

Spread the love

চট্টগ্রামের বহুল প্রত্যাশার ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল আজ শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে তার সেবা কার্যক্রম। শনিবার (১৫ জুন) সকাল ১০টায় এ হাসপাতাল উদ্বোধন করেন বিশ্বের খ্যাতনামা কার্ডিয়াক সার্জন, ভারতের ব্যাঙ্গালুরুর নারায়ণা ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা ডা. দেবী শেঠী।

নগরীর পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালের পাশে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে তোলা হয়েছে ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল। এর হৃদরোগ বিভাগের চিকিৎসা থেকে শুরু করে যাবতীয় কার্যক্রম ডা. দেবী শেঠীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এই বিভাগের নাম দেয়া হয়েছে ইম্পেরিয়াল-নারায়ণা কার্ডিয়াক বিভাগ।

আজ সকালে বিশেষ একটি ফ্লাইটে কলকাতা থেকে চট্টগ্রাম আসেন ডা. দেবী শেঠী। সাথে তাঁর বড় পুত্র বিরেন শেঠীসহ হাসপাতালের একটি টিমও আছে। দুপুরে ডা. দেবী শেঠী ব্যাঙ্গালুরু ফিরে গেলেও তাঁর টিম থেকে যাবে চট্টগ্রামে।

ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের বোর্ড মেম্বার ও সিইআইটিসি ট্রাস্ট্রি বোর্ডের চেয়ারম্যান এম এ মালেক বলেন, আমরা বহুদিন ধরে চট্টগ্রামে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবার অভাব বোধ করছিলাম। এখানে উন্নতমানের স্বাস্থ্য সেবা না পাওয়ায় প্রতি বছরই হাজার হাজার মানুষ প্রতিবেশি দেশ ভারতসহ বিশ্বের নানা দেশে ছুটতেন। যেখানে চিকিৎসার পাশাপাশি মানুষকে নানাভাবে হয়রানির শিকারও হতে হয়। আমরা মানুষের এই ভোগান্তির অবসান ঘটাতে চেয়েছি। আমরা চট্টগ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছি। এই হাসপাতালের মাধ্যমে আমরা চট্টগ্রামের অসুস্থ মানুষ এবং তাদের পরিবারকে আর্থিক, শারীরিক ও মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেয়ার জন্য কাজ করবো।

এম এ মালেক বলেন, ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল একেবারে নীরবে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য সেবায় একটি বিপ্লব সাধন করেছে। এখানকার মানুষ আজ থেকে মানুষ সেই বিপ্লবেরই সুফল পাবেন। সুত্রঃ আজাদী।

ভারতীয় সেনাদের বিরুদ্ধে এক কিশোরকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই মারধরের জেরে বিষ খেয়ে ওই কিশোর
আবারও বর্ণবাদী পরিচয় দিল মার্কিন বিমান সংস্থা আমেরিকান এয়ারলাইনস। বিমানে দুজন মুসলিম যাত্রী থাকায় ক্রুরা
যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম ও তার সঙ্গপাঙ্গরা সরকারি
ক্ষমতা দখলের পর থেকে মিসরে সব ধরনের গণবিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছিলেন সামরিক শাসক আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।
চট্টগ্রাম নগরীর ধনিয়াল পাড়ার বায়তুশ শরফ মাদ্রাসায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Logo-orginal