, রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

admin

এবার চট্টগ্রামের মহসীন কলেজে ছাত্রীর হিজাব টানাহেঁচড়া করল শিক্ষক

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-০৫ ০১:২৮:১২ || আপডেট: ২০১৯-০৭-০৫ ০১:২৮:১২

Spread the love

কাজি নাজমুল আমিন॥ গত ২ জুলাই চট্টগ্রাম মহসীন কলেজে ডিগ্রী সেকেন্ড ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষার সময় মেয়ে পরীক্ষার্থীদের হিজাব এবং নিকাব টেনে খুলে ফেলা হয়েছে। আর হিজাব, নিকাব আলাদা করে কোনো মহিলা টিচার কে দিয়ে খুলানো হয়নি। এই মহা দায়িত্বের কাজখান পুরুষ শিক্ষকরা সুনিপুনভাবে নিজের হাতে সম্পাদন করিয়াছেন। যে সকল মেয়েরা খুলতে চায়নি তাদের দেহ থেকে পুরুষ শিক্ষকরাই নিজ হাতে টান মেরে মেরে হিজাব নিকাব খুলে নিয়েছেন।

তারা প্রথমে যুক্তি হিসাবে বলেছিলেন নিকাব থাকলেনাকি এডমিট কার্ডের সাথে ছবি মিলানো যায় না। এর পরে হিজাব খুলার সময় বলেছিলেন কেউ কানে হেডফোন লাগিয়ে কারো সাহায্য নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারে। তাই হিজাব ও খুলা বাধ্যতামূলক। এই কথা বলে পুরুষ শিক্ষকরা মেয়েদের কাপড় ধরে এক টান দিয়ে হিজাব এবং নিকাব খুলে ফেলেন।

এক মেয়ের নিকাব খুলার সময় মেয়ে বাধা দিয়ে বলে আমি ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী পর্দা করি। আমি নিকাব খুলতে পারবো না। পরক্ষণে সেই পুরুষ শিক্ষক মেয়েকে পালটা যুক্তি দিয়ে বলেন, “তুমি ছবি যখন তুলছিলা তখন নিকাব খুলে ছবি তুলো নাই”?

মেয়েটি বলল, হ্যা! খুলে ছবি তুলেছি। এর পরে শিক্ষকটি আবার বলে ছবি ওয়াশ করার সময় তোমার চেহারা অন্য কেউ দেখে নাই? মেয়েটি বললো দেখছে।তারপর শিক্ষকটি বললো তাহলে এইখানে খুললেও সমস্যা হবে না। এই বলে নিজে হাতে টান দিয়ে নিকাব খুলে ফেলে এবং মেয়েটিকে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে অপমান করছেন।

ভাবতে অবাকই লাগে! এইটা নাকি সোনার বাংলাদেশ। ফান্সে পুলিশরা নিরাপত্তা জনিত কারণে বোরখা টেনে টেনে খুলে ফেললে এই সোনার বাংলাদেশের দামাল ছেলেরাই আবার এটার প্রতিবাদ করে। যা বুঝার সেটা হলো আমাদের দেশ এখন ফ্রান্স হয়ে গেছে। আর হিজাব ও নিকাব পড়ে আসা যাবে না এই বেপারে কোনো ধরনের নোটিশ ও দেওয়া হয়নি।

অথচ নিচের ভিডিওতে দেখুন, হিজাব নিকাব নিয়ে মহামান্য আদালত কি জারি করেছেন, ঢাকার রাজারবাগের দৈনিক আল ইহসান পত্রিকার সম্পাদকের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতেঃ #সংগৃহীত।

ভারতীয় সেনাদের বিরুদ্ধে এক কিশোরকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই মারধরের জেরে বিষ খেয়ে ওই কিশোর
আবারও বর্ণবাদী পরিচয় দিল মার্কিন বিমান সংস্থা আমেরিকান এয়ারলাইনস। বিমানে দুজন মুসলিম যাত্রী থাকায় ক্রুরা
যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম ও তার সঙ্গপাঙ্গরা সরকারি
ক্ষমতা দখলের পর থেকে মিসরে সব ধরনের গণবিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছিলেন সামরিক শাসক আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।
চট্টগ্রাম নগরীর ধনিয়াল পাড়ার বায়তুশ শরফ মাদ্রাসায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Logo-orginal