, রোববার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০

jamil Ahamed

মৃত্যুর আগে যা বলছিল শিশু রাইয়ান

প্রকাশ: ২০১৯-০৮-০৬ ১৫:৪০:৫৭ || আপডেট: ২০১৯-০৮-০৬ ১৫:৪০:৫৭

Spread the love

ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছে শিশু রাইয়ান সরকার। তার মৃত্যুশোকে পাথর মা ও বাবা। এদিকে রাইয়ানের ছোট্ট বোন মালিহাও ডেঙ্গুজ্বরে হাসপাতালে ভর্তি। তার অবস্থাও গুরুতর।

মৃত্যুর আগে রাইয়ানের একটি কথা এখনও কানে বাজছে তার বাবা-মায়ের।

রাইয়ানের মা রোমানা জানান,‘মালিহার আগে জ্বর এসেছিল। ওরা যা যা করবে দুজন একসঙ্গেই করবে। তাই ছেলে আমার বারবার বলছিল- ‘আমারও জ্বর আসুক, তা হলে মালিহার পাশে শুয়ে ওর সঙ্গে কথা বলতে পারব। তার কথা যে সত্যি হবে কে জানত। সেও জ্বরে ভোগা শুরু করল। হাসপাতালে আনলে ডাক্তার জানান ডেঙ্গু হয়েছে।’

রাইয়ানের মৃত্যুর আগের মুহূর্ত বর্ণনায় রোমানা বলেন, রাতে ঘুমের ঘরে আমার ছেলে বলছিল- ‘সব ভেঙে চুরে আসতেছে। আসিস না, তুই আসিস না।’ বলতে বলতে কেঁদে ওঠেন রোমানা।

রাইয়ানের স্মৃতি হাতড়ে মা বলেন, জ্বরে পড়ার আগে ঘরের ভেতরে ছেলেটা ফুটবল খেলছিল। কী জোরে জোরে বল পেটাচ্ছিল। ওইটাই মনে হয় ওর শেষ খেলা ছিল।’

ছোট্ট বোনটির অবস্থাও গুরুতর। ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মালিহা সরকার (৬) মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে। রাইয়ানের বাবা মমিন সরকার জানান, মালিহা ১ আগস্ট থেকে ভর্তি আছে স্কয়ার হাসপাতালের ১১২৩ নম্বর বেডে। ঠিক এই বেডেই ৩১ জুলাই ভর্তি হয়েছিল রাইয়ান। ছেলের শরীরের অবস্থা বেশি খারাপ হলে তাকে নিবিড় পরিচর্চাকেন্দ্রে নেয়া হয়। ঠিক তখনই মালিহাকে এই বেডে ভর্তি করা হয়।

মমিন সরকার চোখের পানি ফেলছিলেন আর বলছিলেন, ‘ছেলে মারা গেছে শুক্রবার দুপুরে। ছেলেকে নিয়ে যখন হাসপাতাল ছাড়ি তখন আমার মেয়ের প্লাটিলেট কমতে শুরু করে। ছেলের লাশ যখন আমার কাঁধে, তখন মেয়ের অবস্থা ভালো না। এর চেয়ে অসহায় সময় জীবনে আর কখনও কাটেনি।’

রাইয়ানের করুণ মৃত্যু মানতে পারছেন না বাবা। বলেন ‘ছেলেটা যে আমার সত্যিই চলে যাবে এটি বিশ্বাসই হয়নি। ডাক্তাররা যখন হাল ছেড়ে দিয়েছেন, তখনও আমার বিশ্বাস ছিল রাইয়ান আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে। সে আমাকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে চলে যাবে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে চলে গেল। ছেলের লাশ আমাকে বহন করতে হলো।’

প্রসঙ্গত রাইয়ানের মৃত্যু হয় শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে স্কয়ার হাসপাতালে। রাইয়ান মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল। মালিহা তার একমাত্র বোন। উৎসঃ যুগান্তর ।

জমজমাট বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ফাইনাল হলো। তবে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের নিশ্বাস ফেলারও ফুরসত নেই। কারণ, এরই
সৌদি আরবে মার্কিন সেনা মোতায়েনে খরচ বাবদ যুক্তরাষ্ট্রকে ৫০ কোটি ডলার দিয়েছে রিয়াদ। এক মার্কিন
সীমান্তে মার্কিন যুদ্ধবিমান উড়ার খবরে ঘাবড়ে গিয়ে ইউক্রেনের বিমান বিধ্বস্ত করেছে ইরান। এ মন্তব্য করেছেন
প্রবাসী ডেস্কঃ দেশের অর্থনীতি সচল রাখার কারিগর প্রবাসীদের অভিযোগ শোনার কেউ নেই" শিরোনামটি বেশ পুরনো
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মাহফিলে ইসলাম গ্রহণ করলেন হিন্দু যুবক, কেওচিয়ার এক ওয়াজ মাহফিলে ইসলাম গ্রহণ করেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Logo-orginal