, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০

Avatar admin

চট্টগ্রামে ডার্ক রেষ্টুরেন্ট আতংক” নষ্ট হচ্ছে শিক্ষার্থীরা, শংকিত অভিবাবকরা”

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-১১ ১২:০০:২৫ || আপডেট: ২০১৯-০৯-১১ ১২:১০:৩৫

Spread the love

মন্তব্য প্রতিবেদন, আরটিএমনিউজ২৪ডটকমঃ চট্টগ্রাম নগরীতে “ডার্ক রেষ্টুরেন্ট আতংকে শংকতি অভিবাবকরা।

গত সপ্তাহে চকবাজারে ৪টি ডার্ক রেস্টুরেন্টে গোপন কক্ষে পুলিশি অভিযানে ফের আলোচনায় আসে এই ডার্ক রেষ্টুরেন্ট বা অন্ধকার রেস্তোঁরা।

কথিত আধুনিকতার ছোয়া আর ডীম লাইটিং এর ছোট ছোট অন্ধকার কক্ষে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা ঘন্টা পর ঘন্টা পড়ে থাকে এই অন্ধকার রেস্তোরাঁ গুলিতে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় ও চ্যাট হওয়ার পর অনেক ছাত্র-ছাত্রী সাক্ষাৎ এর স্থান হিসাবে নিরাপদ মনে করে অন্ধকার রেস্তোরাঁ বা ডার্ক রেষ্টুরেন্টকে।

সন্তানকে কলেজে পাঠিয়ে নাকে সরিষার তৈল দিয়ে ঘুমানোর দিন শেষ, খোজ নিয়ে দেখেন আদরের মেয়ে বা ছেলে কোথায় যাচ্ছে” এমন মন্তব্য করে আরটিএম প্রতিনিধির নিকট আক্ষেপ জানালেন নগরীর সুগন্ধা আবাসিকের অভিবাবক জনাব কামাল হোসেন।

চট্টগ্রাম কলেজের এক প্রভাষক সিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) পিযুষ চন্দ্রকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন পুলিশের এমন অভিযান প্রশংসনীয়, তবে মা-বাবাদের সচেতন হতে হবে সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে।

চান্দগাও আবাসিক এরিয়ার অভিবাবক প্রবাসী আবুল কাশেম আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, অন্ধকার কক্ষ তৈরী করে রেস্তোরাঁ ব্যবসা করার অনুমতি মিলে কেমনে? তিনি এসব অসৎ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানানোর পাশাপাশি রেস্তোরাঁ মালিকদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক” এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রসঙ্গগত, গত সপ্তাহে সিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) পিযুষ চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে চকবাজার থানাধীন মোড়স্থ আড্ডা, ড্রীমস, প্যারাডাইজ ও ফেইসবুক” নামীয় রেস্টুরেন্টগুলোতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা কালীন দেখা যায় রেস্টুরেন্টগুলোতে বিশেষ কায়দায় তৈরি ছোট ছোট কক্ষ অন্ধকার ও গোপনীয়। এসব কক্ষে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত ছাত্র ছাত্রীরা স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ফাঁকি দিয়ে বন্ধু-বান্ধুবীদের নিয়ে বর্ণিত রেস্টুরেন্টগুলোতে মূল্যবান সময় নষ্ট করছিল।

এসব আলো-আঁধারি রেস্টুরেন্টগুলোতে বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল কার্মকান্ডে লিপ্ত হওয়ার সুযোগ পায় ছাত্র-ছাত্রীরা এবং রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ এ ধরনের অশ্লীল কর্মকান্ডের সুযোগ দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।

আটককৃত ছাত্র ছাত্রীদের ভবিষ্যতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাদেরকে অভিবাবকের নিকট হস্থানান্তর করা হয়। রেস্টুরেন্ট মালিকদের ভবিষ্যতে এ ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ হতে বিরত থাকা ও মিনি আলো-আঁধারি এবং কেবিনযুক্ত রেস্টুরেন্টের ব্যবসা না করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে এ ধরনের রেস্টুরেন্টে ব্যবসা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Logo-orginal