, রোববার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

admin

ন ডরাই’ নিয়ে তৈরি কমিক্স বই ‘অ্যাডভেঞ্চার অব আয়েশা’র মোড়ক উন্মোচন

প্রকাশ: ২০১৯-১২-০৩ ২৩:৩৪:০৯ || আপডেট: ২০১৯-১২-০৩ ২৩:৩৪:০৯

Spread the love

রাকিব উদ্দিন, বিনোদন ডেস্কঃ সার্ফিং নিয়ে বাংলাদেশে প্রথমবার নির্মিত হয়েছে সিনেমা। তানিম রহমান অংশু পরিচালিত ‘ন ডরাই’ ২৯ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। সিনেমাটির প্রচারণায় নতুনত্বের ছোঁয়া দিলো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্টার সিনেপ্লেক্স।গল্পের ধারণা থেকে তারা নিয়ে এলো একটি কমিক্স বুক।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ‘ন ডরাই’র মুক্তি উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান রুহেল, নির্মাতা তানিম রহমান অংশু, অভিনেতা শরিফুল রাজ, অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল, সংগীতশিল্পী জেফার রহমানসহ সিনেমাটির সংশ্লিষ্ট অনেকে।

সেখানে ‘ন ডরাই’ নিয়ে তৈরি কমিক্স বই ‘অ্যাডভেঞ্চার অব আয়েশা’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়। জানানো হয়, এটি স্টার সিনেপ্লেক্সের সব শাখা থেকে কেনা যাবে। তাছাড়া কয়েক জায়গায় গ্রামের মেয়েদের বিনামূল্যে দেওয়া হবে।

সিনেমা হিসেবে ন’ডরাই একটা প্রথা ভাংছে। এই প্রথাটা সাউথ এশিয়ান মুভিগুলোতে ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি।লোকজন অবশ্য খায়ও। প্রথাটা হলো সিনেমারা নায়ক-নায়িকা অলি আউলিয়া টাইপ চরিত্রের অধিকারী হবে। নায়ক-নায়িকা একে অন্যকে বাদে নাকি কাউকে স্পর্শ করবেনা, ভুলে স্পর্শ করলেও সাতবার তওবা করবে কিংবা সিনেমায় নায়িকার বিয়ে হয়ে গেলেও স্বামীকে স্পর্শ করতে না দেয়ার যে প্রথা এটা বছরের পর বছর চলে আসতে দেখছি আমাদের সিনেমাগুলোতে।’ন ডরাই’ সমাজ ও পরিবারের ভয়কে জয় করে সার্ফার হিসেবে এক নারীর প্রতিষ্ঠার গল্প তুলে ধরা হয়েছে, যা নারীদের উৎসাহিত করবে।

বাস্তবে ‘তোমাকে ছাড়া বাঁচবোনা’ বলা মেয়েকে দেখেছি কিভাবে বছর না ঘুরতেই বাবা হতে চাওয়া যুবকটাকে মামা বানিয়ে দেয়। ন’ডরাই বাস্তবের চিত্রই তুলছে। নায়ক নায়িকাকে সতীসাবিত্রী করতে যেয়ে জোর করে গল্প মিলায়নি। আয়েশার বিয়ে হয়, সোহেল অন্য মেয়ের সাথে রাত কাটায় তবু শেষ দৃশ্যে যখন দুইজন বিচে-বালুতে পাশাপাশি বসে শৈশব খুঁজে,স্মৃতি হাতরায় আর হাত ধরে পাশাপাশি হাটার প্রত্যয় নেয়, দর্শক হিসেবে এই দৃশ্যটাই আমাকে বেশি আপ্লুত করেছে। মনেহয় এই দৃশ্যটা দেখার জন্যই দুইঘন্টা যাবত অপেক্ষা করে আছি।

সিনেমাটোগ্রাফি নিয়ে কোন কথা নেই। এই স্টান্ডার্ডের দৃশ্যায়ন বাংলা সিনেমায় এর আগে খুব একটা দেখেন নাই। বাংলা সিনেমায় আগে কক্সবাজারের দৃশ্য বলতে বুঝতাম ঢেউয়ের সাথে নায়িকার বুকের উঠানামা আর বিচিত্র সব কোরিওগ্রাফির নাচ।এই সিনেমায় নতুন কক্সবাজার আবিষ্কার করবেন।

সংলাপ নিয়ে যত ঝামেলা। সংলাপ না হইছে খাটি কক্সবাজারের না প্রমিত।তবে স্ক্রিপ্টরাইটার চাইছে কক্সবাজারের টোনে দর্শককে গিলাইছে। আর প্রচুর গালি আছে, আমর মত অনেকের কাছে এগুলা কমন বাট অনেকের কানে লাগতে পারে।

অভিনয়ে তেমন কোন খুত নাই। মনে হইছে একেক জন একেক জনকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। প্রধান তিন চরিত্র; আয়েশা,সোহেল আর লিয়াকত অনেক দূর যাবে।

সিনেমাটায় এক বারের জন্য বিরক্তি আসেনাই। মনেহয়নি কখনো মূল গল্প থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। হ্যাঁ আপনি হয়তো আগেই গেস করতে পারবেন এন্ডিংটা কি হবে, সত্যি কোন সাসপেন্স নাই তবে তাও আপনার শেষ মিনিট পর্যন্ত বসে থাকতে হবে। আর এটাই ন’ডরাইয়ের প্রধান সফলতা।

স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান রুহেল বলেন, পাঁচ বছর আগে আমি ‘ন ডরাই’ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলাম। অবশেষে এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। বিদেশে কয়েকটি উৎসবে সিনেমাটি দেখে অনেকে প্রশংসা করেছেন। আশা করছি, দেশের দর্শকদেরও ভালো লাগছে। কারণ এতে আমরা নারীদের বাঁধা ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার গল্প দেখিয়েছি।

কমিক্স প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছোট বেলা থেকে আমি কমিক্স অনেক পছন্দ করি। তাই আমাদের সিনেমার প্রচারণা হিসেবে ও নারীদের এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে কমিক্স বইটি তৈরি করা হয়েছে।

নবাগত নির্মাতা তানিম রহমান অংশু বলেন, ‘ন ডরাই’ অর্থ হচ্ছে ভয় করি না। নামটি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষা থেকে নেওয়া। যদিও নামটি ঠিক করতে আমাদের তিন মাস সময় লেগেছে। এটি আমার মুক্তির পাওয়ার দিক থেকে প্রথম সিনেমা হতে যাচ্ছে। আমাদের সিনেমার আয়েশা চরিত্রটি কীভাবে ভয় না পেয়ে তার স্বপ্ন পূরণে সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করেন, তাই দর্শক সিনেমায় দেখতে পাবেন।

‘ন ডরাই’তে আয়েশার চরিত্রে দেখা যাবে নবাগত নায়িকা সুনেরাহ বিনতে কামালকে। তিনি বলেন, সিনেমাটি করতে গিয়ে আমাকে তিন মাস সার্ফিংয়ের প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে। এটি করতে গিয়ে আমি জীবনের অনেক কিছু শিখেছি। মূলত সিনেমাটি সবার ভালো লাগলেই আমাদের কষ্ট সার্থক হবে।

সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন কলকাতার শ্যামল সেনগুপ্ত। এর আগে এই চিত্রনাট্যকার দেবের ‘বুনোহাঁস’ ও অমিতাভ বচ্চনের ‘পিংক’ সিনেমার চিত্রনাট্য লিখে তিনি প্রশংসিত হন।

নিউজ ডেস্কঃ কাল ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ সাল, মহান বিজয় দিবস। ত্রিশ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে
কাশ্মীরের লাইন অব কন্ট্রোলে (এলওসি) পাকিস্তান-ভারতের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় দুই ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছে। এসময়
অশান্তি হবে জানা ছিল। কিন্তু এ ভাবে বিক্ষোভের আগুন স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে গোটা অসমে ছড়িয়ে যাবে
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় রাত নামলেই বাড়ে বন্য হাতির আতঙ্ক,ঘুমহীন এলাকাবাসীর রাত কাটে আতংকিত অবস্থায়। অথচ নীরব
রাকিবউদ্দিন, বিনোদন ডেস্কঃ বেঁধে রাখা, সেতো বাঁধা নয়, সময়ের অনুভূতি ও চিন্তাগুলো ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Logo-orginal