, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০

Avatar admin

লোহাগাড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী গেজু জামালের ভয়ে তটস্থ বড়হাতিয়াবাসী

প্রকাশ: ২০১৯-১২-১০ ১২:০৭:২৭ || আপডেট: ২০১৯-১২-১০ ১২:০৭:২৭

Spread the love

ছবি, অভিযুক্ত গেজু জামাল।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার বড়হাতিয়ায় বেপরোহা হয়ে উঠেছে জামাল বাহিনীর সদস্যরা। এলাকায় চাঁদাবাজি, দখলদারি থেকে শুরু করে ছিনতাই ,ডাকাতি মাদক ব্যবসাসহ সকল অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে প্রকাশ্যে। এই বাহিনীর প্রধান মো. জামাল উদ্দীন প্রকাশ গেজু জামালের বিরুদ্ধে লোহাগাড়া থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা থাকলেও দাপটের সাথে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে এলাকায়। এতে করে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির পাশাপাশি আতংক ও  নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এলাকাবাসী।

গত ১৯ নভেম্বর সোমবার সকালের দিকে দুই সিএনজি (অটোরিক্সা) করে কুমিরাঘোনা বাজারে এই বাহিনীর ৬-৭ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসি প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিয়ে মহড়া দিতে দিতে পাহাড়ে থাকাআস্তানার দিকে যাচ্ছিল।  যাওয়ার পথে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে। দিন দুপুরে এই দৃশ্য দেখে এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

ভুক্তভোগীরা জানায়, একাধিকবার জেল ফেরত জামাল উদ্দিনের বাহিনী খুবই ভয়ংকর। তারা রাতের আঁধারে গুলি বর্ষণ করে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে। এছাড়া স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে। এলাকায় কেউ জায়গা ক্রয় অথবা নতুন ঘর করলে তাদেরকে চাঁদা দিতে হয়।  পাহাড়ে কেউ বাগান করতে চাইলেও তাদের চাঁদা দিতে হয়। ইসলাম ফকিরের মোড় এলাকায় তাদের আস্তানা রয়েছে। যেখান থেকে তারা ডাকাতিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালায় এবং সময় সশস্ত্র এলাকায় এসে তাণ্ডব চালিয়ে পুনরায় পাহাড়ে ঢুকে পড়ে। তাদের কারণে স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীরা নিরাপদ নয়। এলাকায় তাদের তাণ্ডবে স্কুলগামী কোমলমতি শিশুরা আতংকিত থাকে সবসময়।

জানা গেছে, একই এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মো: জামাল উদ্দিন প্রকাশ গেজু জামাল ও তার ভাই মো: আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে চলছে এই বিশাল বাহিনী। বাহিনীটি অনেক প্রভাবশালী। তারা নানা অপকর্মের পাশাপাশি এলাকায় গ্রুপিং সৃষ্টি করিয়ে দিয়ে সবসময় বিশৃংখলা সৃষ্টি করে রাখে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায় না এলাকাবাসী। আবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় অনেকে মারাত্বকভাবে হামলা শিকার হয়েছে।

এ বিষয়ে লোহাগাড়া থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ রাশেদ জানান, লোহাগাড়া থানায় সদ্য নিয়োগ পাওয়ায় এই বাহিনীর বিরুদ্ধে খুব বেশি অবহিত না হলেও তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। তিনি আরো জানান, কোনো ধরণের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়া হবেনা। এলাকাবাসির শান্তি রক্ষার্থে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে আইনশৃংখলা বাহিনী। এ অবস্থায় এলাকাবাসীর দাবি এই সন্ত্রাসবাহিনীকে আইনের আওতায় এনে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনা হোক।

এ বিষয়ে জানতে জামালের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
সুত্রঃ সিভয়েস২৪ডটকম।

Logo-orginal