, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২০

Avatar admin

গীবতকারীরা থামছেনা, এবার আজহারীর গাড়ী বিলাস, জবাব দিলেন ডঃ ফয়জুল

প্রকাশ: ২০২০-০২-১২ ১০:২৬:৫৫ || আপডেট: ২০২০-০২-১২ ১১:১৪:৪৪

Spread the love

আবুল কাশেম (প্রবাসী কলামিস্ট)ঃ দেশ ছেড়ে চলে গেলেন মালেশিয়া, তবুও থামছেনা একদল সমালোচনাকারী গীবত।

মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর বিরুদ্ধে প্রথমদিকে কুরুচি পুর্ন সমালোচনা শুরু করে পীর আর মাজারপন্হীরা, পরে যোগ দেয় বয়াতী খয়রাতি কথিত মারফতিসহ নাস্তিকরা।

ইতিহাস সাক্ষী, যুগে যুগে আল্লাহ প্রেরিত প্রতিটি নবীর বিরোধিতা এসেছিল শাসক-পুজক-কথিত ধর্মগুরু-মুশরিক ইহুদী-গোষ্ঠী থেকে।

আজও যদি আপনি মুসলিম বিশ্বের হকপন্হী আলেম-ওলামার বিরোধিতাকারী গোষ্ঠীর পরিচয় জানতে চান, তাহলে দেখবেন শাসকের সাথে সুর মিলিয়ে একদল আলেম ১ম কাতারে থেকে সমালোচনা শুরু করে, সরকারকে উৎসাহ দেয়ে সে আলেমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে।

এমন উদাহরণ আরব বিশ্বসহ দুনিয়ার সব মুসলিম দেশে বিরাজমান।

তবে একজন আলেমের বিরুদ্ধে যখন আরেকজন আলেম আদা-জল খেয়ে বিরোধিতা করে তখন বিষয়টি আল্লাহর বান্দা ও রাসুল (সঃ) এর উম্মতের নিকট বড়ই বেদনাদায়ক।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কালামের সুরা হুজরাতে গীবত সম্পর্কে ভয়াবহ হুঁশিয়ারী দিয়েছেন, অথচ আলেম নামের কিছু ধর্ম ব্যবসায়ী নিজেদের ব্যবসায় ধস নামার শংকায় ঈমান আমল ভুলে গিয়ে ইসলামের ক্ষতি করে চলেছে।

যদি বিধর্মী ইহুদী ও নাস্তিকরা বিরোধিতা করে তা কষ্টের নয়, কারণ আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, এরাতো তো তোমাদের প্রকাশ্যে শত্রু”।

যেমন গত কদিন আগে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা নাস্তিক হিসেবে পরিচিত মিঃ মেনন ডঃ আজহারী, আল্লামা শফির তীব্র সমালোচনা করে আল্লাহকে গালি দেওয়া বয়াতিদের পক্ষে সাফাই দিয়েছেন, তাতে কোন মুসলমানের কষ্ট বা দুঃখ পাওয়ার কোন কারণ আমি অন্তত দেখিনা, যেহেতু নাস্তিকদের কাজই হল ধর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারী) সোশ্যাল মিডিয়ায় ডঃ আজহারীর বিরুদ্ধে গাড়ী গীবত ভাইরাল হয়েছে, তিনি নাকি ৫ কোটি টাকার গাড়ী কিনেছেন” তাতে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলো সে সম্মিলিত গীবতকারী।

তবে বিলিয়ন ডলার খরচ করে বিমান ক্রয়ের অধিকার ওনার আছে, কারো ব্যক্তিজীবন কেমন হবে, সেটি ব্যক্তির এখতিয়ার।

অন্যের বিষয়ে খবরদারী করার কোন অধিকার শরীয়ত দেয়নি।

ডঃ আজহারীর গাড়ী বিলাস নিয়ে জবাব দিলেন মালেশিয়ায় বসবাসরত ডঃ ফয়জুল হক। ওনার পোস্টটি পড়ার বিনীত অনুরোধ রহিল।

“বন্ধুবর আজহারী ভাইয়ের গাড়ী কাহিনী:

আলহামদুলিল্লাহ আজহারী সাহেবকে বিশ্বের অনেক দেশেই ব্যাবসায়ী/ রাজনীতিবিদগন ব্যাক্তিগত, সামাজিক ও ধর্মিয় কারনে দাওয়াত দিয়ে থাকেন। সে কারনেই ছয় মাস আগে সিংগাপুরে তিনি শহীদুজ্জামান ত্বরিক ভাইয়ের দাওয়াতে যান ও তার গাড়ীতে কিছু সময় সিংগাপুর ঘুড়ে বেড়ান। ভাগ্য চক্রে আজ এই গাড়ীই তার গাড়ী হিসেবে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে।
তথাকথিত আজহারী সাহেবের গাড়ীর নাম: বেন্টলি।
দাম:১১/১২ কোটি বাংলা টাকা ভ্যাট সহ।
গাড়ির মালিক: শহীদুজ্জামান ত্বরিক সাহেব,সাবেক সভাপতি সিংগাপুর বাংলাদেশ চেম্বারস অফ কমার্স।
দেশের বাড়ি:চুয়াডাঙ্গা।
বিদেশের বাড়ীতে আমাকেও আমার পরিবার ও অফিসের কাজে ২ টি গাড়ী ব্যাবহার করতে হয়, আমি তার মধ্যে বিলাসিতার কিছুই দেখিনা। কারন আমার মতো ছোট মানুষেরও যে পরিমান যাতায়াত করতে হয় তাতে ট্যাক্সি কিংবা গ্রাবে করে এর চাইতে বেশী খরচ ও সময় বেশী যায়। এখন কি কেউ বলবেন আমার দুটি গাড়ী কেন?
উল্ল্যেখ্য:আজহারী সাহেবেরতো ঘোড়ার ও হেলিকপ্টারের সাথেও ছবি আছে,এখন কি না যেনে বলে দিবেন,যে এগুলোর মালিকও আজহারী?

আজহারীকে আল্লাহপাক যা নেয়ামত দিয়েছেন,তাতে আমি মনে করি হালাল উপায়ে তার গাড়ী, বাড়ী বা তার চেয়েও দামি পরিবহনের অভাব হবেনা, যদি আজহারী চান।
এর পরেও একদল লোক বলতে থাকবে আজহারী ভালোনা। #ডক্টর ফয়জুল হক ( মালয়শিয়া )।

বিঃ দ্রঃ- কাউকে বড় বা ছোট করা অথবা কারো প্রতি অন্ধ ভালবাসার তাগিদে বয়, নিছক বিবেকের তাড়না ও ঈমানের দাবীর অংশ হিসেবে আমার এই লেখা। (আবুল কাশেম)

Logo-orginal