, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

Avatar admin

হুইপের মামলায় জেলে থাকা সে পুলিশ অফিসারের জামিন, যা বললেন ব্যারিস্টার সুমন

প্রকাশ: ২০২০-০২-১৬ ১৪:৫১:১৯ || আপডেট: ২০২০-০২-১৬ ১৪:৫১:১৯

Spread the love

ক্যাসিনোর টাকার ভাগ পান জাতীয় সংসদের হুইপ সরকার দলীয় সাংসদ সামশুল হক চৌধুরী। এমন অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্টাটাস দেওয়ার পর সাময়িক বরখাস্ত হন পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মাহমুদ সাইফুল আমিন। এরপর তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন হুইপ সামশুল হক চৌধুরী।

আজ রোববার সাইবার ট্রাইব্যুন্যালে আত্মসমর্পণ করে সেই মামলায় জামিন নিয়েছেন পুলিশ অফিসার মাহমুদ সাইফুল আমিন। ট্রাইব্যুনালে তার পক্ষে আইনি লড়াই করেন ব্যরিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

এ তথ্য নিশ্চিত করে ব্যরিস্টার সুমন বলেন, এ জামিনের মাধ্যমে আইনের জয় হয়েছে। আইন সবার জন্য সমান। অপরাধী যেই হোক শাস্তি পেতে হবে আবার বিনা অপরাধে কেউ জেল খাটতে পারবে না। অপরাধ করায় পুলিশ অফিসার ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে যেভাবে আইনি লড়াই করেছি তেমনি অপরাধ না করায় ওসি সাইফুল আমিনের পক্ষে আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছিলাম। আজ জামিন পাওয়ার মাধ্যমে আইনের জয় হয়েছে। চূড়ান্ত জয় হবে বিষয়টা নিষ্পত্তি হলে’।

উল্লেখ্য, ‘চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেড ক্লাবের জুয়া থেকে হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর ৫ বছরে আয় ১৮০ কোটি টাকা’- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এমন স্ট্যাটাস দেওয়া হয় মাহমুদ সাইফুল আমিনের ফেসবুক আইডি থেকে।

এ ঘটনায় ৩১ সেপ্টেম্বর বুধবার বিভাগীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপ, জনসম্মুখে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ণ করা তথা অসদাচরণের দায়ে চাকরি থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়। একই দিনে সাইফুল আমিনের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন হুইপ সামশুল হক চৌধুরী।

ওইদিন ফেসবুকে লাইভে এসে ব্যরিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বরখাস্ত হওয়া এই পুলিশ অফিসারের পক্ষে আইনি লড়াই করার ঘোষণা দেন। ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, ওসি সাইফুল আমিনের ফেসবুক আইডি থেকে যে স্টাটাস দেওয়া হয়েছে তা তিনি নিজে দিয়েছেন কিনা, এবং দিয়ে থাকলে তার এ অভিযোগ যদি সত্য হয় তাহলে তাকে সাসপেন্ড করা নিয়ে কথা নেই সেটা আইনি ব্যবস্থায় নিষ্পত্তি হবে কিন্তু তিনি যে অভিযোগ করেছেন সে ব্যাপারে দুদক সংশ্লিষ্টরা তদন্ত করছে কিনা।

যেই ১৮০ কোটি টাকা ভাগাভাগির কথা এসেছে সেটা চাপা দিতে এই সাসপেন্ড কিনা প্রশ্ন রেখে সুমন বলেন, পুলিশ ডিপার্টমেন্টের রুলস অনুুযায়ী ফেসবুকে লেখার দায়ে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, কোনো রকম কারণ দর্শানোর সুযোগ না দিয়ে তাকে বরখাস্ত করা সত্য বলায় ক্ষেত্রে বাধা প্রদান করা হলো কিনা’। #সংগৃহীত।

Logo-orginal