, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২০

Avatar admin

লবণ চাষীদের দুর্দশা” লাভ কার?

প্রকাশ: ২০২০-০৩-০৫ ১৩:৫২:৪৪ || আপডেট: ২০২০-০৩-০৫ ১৩:৫২:৪৪

Spread the love

জয়নাল আবেদীন, আরটিএমঃ উপজেলা, জেলা পর্যায়ে আন্দোলন, মানববন্ধন, সভা-সমাবেশ হয়েছে। তারপরেও লবনের দাম বড়েনি৷ বরং পূর্বের তুলনায় কমেছে। তবে এসব আন্দোলনে প্রান্তিক লবনচাষীরা ছিলনা। ছিল জমির মালিক আর ব্যবসায়ীরা। এই ফাঁকে তারা অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য দাবীর বিষয়টি জোরদার করেছিল। তবে কি লবন চাষীদের ব্যবহার করে উচিত মূল্যে জমি বিক্রয় প্রধান উদ্দেশ্য ছিল❓

আন্দোলনকারীদের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় এভাবে সব সারিতেই তৃণমুল পর্যায়ের চাষীদের দেখা মিলেনি। চাষিরা জানান, তারা জানেননা আন্দোলনকারীদের দাবী দাওয়া সম্পর্কে। তাদের কর্মকান্ড সম্পর্কে। 

ভাতে মরছে লবন চাষীরা। স্বপ্ন দেখানো বাদ দিয়ে ন্যায্য মূল্যটা নিশ্চিত করুন। পেটে ভাত না থাকলে সুন্দর সুন্দর রাস্তাঘাট, ডিজিটাল মহেশখালীর সেবা নিয়ে কি করবো? আমরা বাঁচতে চাই। পরিবার বাঁচাতে চাই। আপনাদের সুন্দর সুন্দর কথায় আর বিশ্বাসী নই। আন্দোলনের নামে ব্যক্তিস্বার্থ আদায় নয় বরং জনস্বার্থ আদায় করুন। 

প্রান্তিক লবন চাষীদের বাড়ি বাড়ি খোঁজ নিন। ভোটের আগেতো কত বাড়ি গেলেন। এবার আবারো যান। দেখে আসুন কত জনের চুলায় ঠিকমত আগুন জ্বলেনা। দেখুন কতজন তিনবেলা খেতে পারেনা। দেখুন চিকিৎসার অভাবে কতজন কাতরাচ্ছে৷ এসব সত্য কথা কখনো তুলে ধরবেননা কোথাও। কারণ এসব আপনাদের ডিসক্রেডিট। 

প্রতিমন লবনের দাম ১৬০ টাকা৷ প্রতিমন সমান ৪০ কেজি। প্রতিকেজি লবন ৪টাকা ধরে বিক্রি হচ্ছে। শুনেছেন, শায়েস্তা খাঁ আমলের লবন চাষ হচ্ছে এখন মহেশখালীতে৷ অবশ্য সুবিধা একটা আছে। যেমন, চাষী ভাতে মরলে লবন চাষ বন্ধ হবে। আর লবন চাষ বন্ধ হলে জমি খালি পড়ে রইবে। তখন অধিগ্রহণ বিনা বাঁধায় হবে। 

লবনের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করে চাষীদের বাঁচানো হোক। বাঁচানো হোক তাদের পুরো পরিবারকে। বাঁচানো মহেশখালীর অধিকাংশ মানুষকে।

Logo-orginal