, রোববার, ৫ জুলাই ২০২০

Avatar admin

৪ মাসেও অধরা ঘাতক মিজান, মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

প্রকাশ: ২০২০-০৫-৩১ ২৩:০৯:২৫ || আপডেট: ২০২০-০৫-৩১ ২৩:০৯:২৭

Spread the love

শাহজাদা মিনহাজ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের রশিদের পাড়ায় বহুল আলোচিত ঘাতক প্রেমিকের লাথিতে প্রেমিকার সন্তান প্রসবের ঘটনায় মামালা তুলে নিতে বাদী শরমিন আকতারকে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৩১ মে (রোববার) বিকেলে সদর ইউনিয়নের রশিদের পাড়ার বাদশা কলোনীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুুক্তভোগী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী শারমিন আক্তার বলেন, ঘটনার ৪ মাস পরও নবজাতক হত্যাকারী আসামী কালো মিজান ও তার সহযোগীরা আইনের আওতায় না আসায় তার পরিবার ও সহযোগীরা আমাকে এখনো বিভিন্ন নির্যাতন, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মামলা প্রত্যাহার করতে মোটা অংকের টাকার প্রলোভন দেখাচ্ছে । তাদের ভয়ে আজিজ কলোণীর বাসা ছেড়ে দিতে বাধ্য হই। ২৩ মে কালো মিজানের বাবা সকালে আমাদের বাসায় এসে আপোষ করতে বলে এবং মোটা টাকার প্রলোভন দেখায়। তার বাবা আরো বলেন, ভয় করো না। আমরা উপরে লাইন করে এসেছি। টাকা যা লাগে দেব। প্রয়োজনে তার ছেলে কালো মিজান তাকে বিয়ে করবে বলে জানায় ভুক্তভোগী শারমিন।

লিখিত বক্তব্যে শারমিন আক্তার আরো জানান, কালো মিজানের সহযোগীরা প্রতিদিন তাকে বিভিন্ন মোবাইল নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে অপহরণ ও প্রাণনাাশের হুমকি দিচ্ছে। তারা যেকোন সময় আমাকে অপহরণ করে মিথ্যা জবানবন্ধী রের্কড কিংবা সাদা স্ট্যাম্পে সইও নিতে পারে। এমতাবস্থায় আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। কালো মিজান, তার বাবা আবুল হোসেনসহ তার সহযোগী, হুমকি দাতাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শরমিন ও তার পরিবার।

উল্লেখ্য, গত ৪ ফেব্রুয়ারী কালো মিজানের লাথিতে ভুুক্তভোগীর গর্ভপাত ঘটে। পরে নবজাতকের গলা কেটে টয়লেটে ফেলে দেয়। এব্যাপারে লোহাগাড়া থানায় ঘটনার পরদিন মামলা দায়ের হলেও এখনো আটক হয়নি ঘাতক কালো মিজান।

এব্যাপারে লোহাগাড়া থানার ওসি (তদন্ত) রাশেদুুল ইসলাম জানান, কালো মিজান মামলার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছে। তাকে গ্রেফতারে লোহাগাড়া থানা পুলিশের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

Logo-orginal