ইসকনের প্রতিষ্ঠা
ইসকন বা INTERATIONAL SOCIETY FOR KRISHNA CONSCIOUSNESS ১৯৬৬ সালে আত্মপ্রকাশ করে। এর প্রতিষ্ঠাতা আচার্য অক্ষয়ার প্রভুপাদ কৃষ্ণ ভক্তির প্রচার ও উন্নয়ন করার লক্ষ্যে এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
সংগঠনের উদ্দেশ্য
ইসকনের মূল উদ্দেশ্য হলো ভগবত গীতা ও শ্রীমদ্ভাগবতকে কেন্দ্র করে ভগবান কৃষ্ণের স্বজ্ঞান এবং প্রেমের ধারণা প্রচার করা। সংগঠনটি দার্শনিক ভাবনা, আধ্যাত্মিক শিক্ষা, এবং বিশ্বজনীন মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
বিশ্বজুড়ে প্রসার
বর্তমানে, ইসকন বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে কার্যকরী। সংগঠনটি বিভিন্ন স্থানীয় নগরীতে মন্দির স্থাপন করেছে, যেখানে সাধারণ জনগণ ভগবান কৃষ্ণকে পূজা করতে এবং আধ্যাত্মিক শিক্ষার জন্য সমবেত হয়।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম
এছাড়াও, ইসকন সামাজিক কর্মকান্ডের জন্য পরিচিত। তারা খাদ্য বিতরণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবেশ সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে। সংগঠনের ‘প্রশাদ’ পরিষেবা অন্তর্ভুক্ত খাবার বিতরণের মাধ্যমে দরিদ্রদের সহায়তা করা হয়।
উপসংহার
ইসকন শুধু একটি ধর্মীয় সংগঠন নয়, বরং এটি একটি আন্তর্জাতিক সাম্প্রদায়িক আন্দোলন। এর অভীষ্ট হলো বিশ্বজুড়ে ভগবান কৃষ্ণের প্রেম ও জীবনের সত্যতা জনগণের সামনে তুলে ধরা। ইসকন এর মাধ্যমে সারা বিশ্বে বহু মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে। ভবিষ্যতে, এটি শ্রী কৃষ্ণের প্রেমের বার্তা আরও প্রসারিত করতে পারে, যা ধর্ম, সংস্কৃতি এবং মানবতার মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসাবে কাজ করবে।



