টেক্সাসে, লুলুলেমন কোম্পানির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই তদন্তের নেতৃত্ব দিচ্ছেন টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেং প্যাকস্টন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে লুলুলেমন তাদের পণ্যে PFAS নামক রাসায়নিকের ব্যবহার করতে পারে, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। PFAS, যা সাধারণত ‘ফরএভার কেমিক্যাল’ নামে পরিচিত, কারণ এটি প্রায় কখনও বায়োডিগ্রেড হয় না।
লুলুলেমন দাবি করেছে যে তারা তিন থেকে চার বছর আগে PFAS এর ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে। তবে, এই তদন্তের কেন্দ্রবিন্দু হল স্বাস্থ্য সচেতনতার দাবির সাথে সম্পর্কিত প্রতারণামূলক বিপণন কৌশল। 1973 সালে প্রতিষ্ঠিত টেক্সাস ডিপসিটিভ ট্রেড প্র্যাকটিসেস অ্যাক্টের আওতায় এই অভিযোগগুলি তদন্ত করা হচ্ছে।
এই তদন্তের ফলাফল আসতে মাস থেকে বছর সময় লাগতে পারে। এর মধ্যে, লুলুলেমন কোম্পানি তাদের বিপণন কৌশল নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে। কিছু নাগরিক এই তদন্তের উদ্দেশ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ক্রিস ভ্যান রিস বলেন, “কেউ কি কেং প্যাকস্টনের নাম যুক্ত হলে বিষয়গুলোকে সিরিয়াসলি নিতে পারছে?”
অন্যদিকে, মেলিস হাওয়েল প্রশ্ন তুলেছেন, “এই মামলা কতটা প্রাসঙ্গিক তা নিয়ে চিন্তা করে, আমাদের অ্যাটর্নি জেনারেল কীভাবে আমাদের ট্যাক্সের টাকা ব্যবহার করে একটি যোগব্যায়াম পোশাক কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করছে, তা টেক্সাসের নাগরিকদের জন্য উপকারে আসবে?”
এদিকে, ক্যামেরন কাউন্টির কর্মকর্তারা পরিবেশগত উদ্বেগের কারণে ডেটা সেন্টারগুলি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি প্রস্তাব পাস করেছেন। দক্ষিণ টেক্সাসে একটি প্রস্তাবিত ডেটা সেন্টার 14 বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ আনতে পারে এবং এটি 360টি চাকরি তৈরি করবে।
এছাড়াও, টেক্সাস হাইওয়ে 46 এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ব্যান্ডেরা কাউন্টির কর্মকর্তারা এই হাইওয়েকে ‘অসুরক্ষিত’ ঘোষণা করেছেন, যেখানে গত 10 বছরে প্রায় 550টি দুর্ঘটনা এবং 13টি প্রাণহানি ঘটেছে। 850টি স্বাক্ষর নিয়ে একটি পিটিশনও জমা পড়েছে, যাতে হাইওয়ে 46 এর উন্নতির দাবি জানানো হয়েছে।
বর্তমানে, লুলুলেমন কোম্পানি এবং টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেং প্যাকস্টনের মধ্যে এই তদন্তের ফলে কী ঘটবে তা নিয়ে সবার নজর রয়েছে। এই ঘটনাটি টেক্সাসের নাগরিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তার উপর প্রভাব ফেলতে পারে।



