আলি লারিজানি, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের দাবি অনুযায়ী, একটি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। তবে, ইরান এখনও লারিজানির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
লারিজানি ২০২৫ সালের আগস্টে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের দ্বারা জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ইরানের সংসদের স্পিকার হিসেবে ১২ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত লারিজানি ইরানের প্রধান পারমাণবিক আলোচক ছিলেন এবং তিনি মৃত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইয়ের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন।
ইসরায়েল কাটজের মতে, লারিজানি এবং বেসিজ বাহিনীর প্রধান গোলামরেজা সোলেমানি একসাথে নিহত হয়েছেন। কাটজ বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব লারিজানি এবং বেসিজের প্রধান সোলেমানি আজ রাতে নির্মূল হয়েছেন।”
সোলেমানি ২০১৯ সাল থেকে বেসিজ বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ২০২১ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বারা তাকে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে হয়।
লারিজানির মৃত্যুর খবরের সাথে সাথে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে ইরানের শীর্ষ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সম্পর্কে তথ্যের জন্য, যার মধ্যে লারিজানিও অন্তর্ভুক্ত।
এদিকে, খামেনেই ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হন, যা ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রথম দিন।
ইরান এখনও লারিজানি এবং সোলেমানির মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানায়নি। হামলার সঠিক পরিস্থিতি এখনও অস্পষ্ট।
লারিজানি শুক্রবার তেহরানে কুদস দিবসের সমাবেশে অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছিল।
এই ঘটনার পর, বিশ্লেষকরা ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, যা দেশটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত হয়নি।



