অশোক খারাত, যিনি প্রায় ২০ বছর ধরে নাসিকে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে কাজ করে আসছিলেন, সম্প্রতি ধর্ষণ, যৌন হয়রানি এবং প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। এই ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের রাজনীতির অন্ধকার দিকগুলিকে উন্মোচন করেছে।
১৮ মার্চ, ২০২৬ তারিখে খারাতকে গ্রেপ্তার করা হয়, যখন তার বিরুদ্ধে একাধিক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। তদন্তকারী দল জানিয়েছে যে, খারাতের বিরুদ্ধে আটটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তিনজন মহিলা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করতে রাজি হয়েছেন।
খারাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করেছেন। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তিনি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ এবং বিদেশ সফরও আদায় করেছেন।
রূপালি চক্রবর্তী, যিনি মহারাষ্ট্র রাজ্য মহিলা কমিশনের সদস্য ছিলেন, খারাতের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার কারণে পদত্যাগ করেছেন। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবীশ বলেছেন, “কিছুই কাল্পনিক শক্তির মাধ্যমে ঘটে না।”
নিরাপত্তা বাহিনী খারাতের সম্পত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুটি ল্যাপটপ, একটি রিভলভার এবং ২১টি জীবন্ত কার্তুজ জব্দ করেছে। খারাতের বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে মানব বলি এবং অন্যান্য অমানবিক, খারাপ এবং অঘোরী প্রথা এবং কালো যাদুর আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নীরজ যাদব, খারাতের একজন প্রাক্তন কর্মচারী, একশরও বেশি ভিডিও ধারণ করেছেন যা খারাতের alleged assaults এর প্রমাণ হিসেবে কাজ করছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অনেকেই মনে করছেন যে রাজনীতির উচ্চ পর্যায়ে আরও অনেকের নাম জড়িয়ে পড়তে পারে।
হর্ষবর্ধন সাপকাল বলেছেন, “ভন্ডুবাবা কেসে বহু মন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জড়িত।” জিতেন্দ্র আওহাদ বলেছেন, “আমার কাছে সমস্ত বিধায়কদের নাম রয়েছে। আমি সঠিক সময়ে সেগুলি প্রকাশ করব।”
অবশ্যই, খারাতের নেটওয়ার্কের পরিধি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাদের জড়িত থাকার বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। মানব বলি এবং কালো যাদুর অভিযোগের বিস্তারিত তথ্যও নিশ্চিত নয়।



