মালির অ্যাসিমি গুইটার দীর্ঘ নীরবতার মধ্যে সহিংসতার বাড়ার ফলে জুটা স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২৫ এপ্রিলের হামলায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সাদিও কামারা নিহত হন। হামলার পর গুইটা জনসমক্ষে কথা বলেননি।
কিদাল ফ্রন্ট দে লিবারেশন দে ল’আজাওয়াদ (এফএলএ) এর নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। ২৫ এপ্রিল হামলায় জামা’আত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন (জেএনআইএম) এবং এফএলএ থেকে কয়েকশো যোদ্ধা সক্রিয় হয়েছিল।
মোপতি রাতে জেএনআইএম এর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়, তবে এটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। হামলার সময় গুইটাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। আফ্রিকান ইউনিয়ন হামলার নিন্দা জানিয়ে মালির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে।
গণনা অনুযায়ী, হামলার ফলে ১৬ জন আহত হয়েছে, যদিও এই সংখ্যা সন্দেহজনক বলে মনে হচ্ছে। সাধারণ মোদিবো কনে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
কিছু মূল তথ্য:
- কিদাল এফএলএর নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।
- সাদিও কামারা আত্মঘাতী হামলায় নিহত হন।
- গুইটা হামলার পর জনসমক্ষে কথা বলেননি।
- ২৫ এপ্রিলের হামলা কয়েকশো যোদ্ধাকে সক্রিয় করেছে।
- মোপতি রাতের দিকে জেএনআইএম এর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়, কিন্তু এটি স্থায়ী হয়নি।
বামাকোর পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে, যেখানে নিরাপত্তা বাহিনী রাজধানী ঘেরাও করেছে। ২০২০ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে সহিংসতা সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছে। গুইটার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।



