অস্ট্রিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া ২০২৬ সালের ২৯ মার্চ ভিয়েনার আর্নস্ট-হ্যাপেল স্টেডিয়ামে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। এই ম্যাচটি দুই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ।
অস্ট্রিয়া তাদের শেষ ম্যাচে ঘানাকে ৫-১ গোলে পরাজিত করেছে এবং তারা তাদের শেষ ১২টি বাড়ির ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে (৯ জয়, ৩ ড্র)। অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া তাদের শেষ ম্যাচে আইভরি কোস্টের কাছে ৪-০ গোলে পরাজিত হয়েছে।
অস্ট্রিয়ার মারসেল সাবিটজার এবং মাইকেল গ্রেগরিচ সম্প্রতি তাদের ২৪তম আন্তর্জাতিক গোল করেছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার সেরা খেলোয়াড় সন হিউং-মিন ১৪১টি ক্যাপ নিয়ে দেশের রেকর্ডধারী খেলোয়াড়। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে ৫৪টি গোল করেছেন, যা বুম-কুন চা’র পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
অস্ট্রিয়া বিশ্বকাপের যোগ্যতা প্রক্রিয়ায় মাত্র চারটি গোল খেয়েছে এবং তাদের শেষ হারের ঘটনা ভিয়েনায় ২০২৪ সালের ইউরো কোয়ালিফায়ারে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ঘটেছিল।
দক্ষিণ কোরিয়া এই ম্যাচে পরপর দুইটি পরাজয় এড়াতে চাইছে, যা তারা ২০২৩ সালের মার্চ থেকে জুনের মধ্যে প্রথমবারের মতো ঘটেছিল।
অস্ট্রিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে এই ম্যাচটি ক্রীড়া ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করবে। অস্ট্রিয়া তাদের প্রথম ম্যাচের ১২৪ বছর পর একটি নতুন রেকর্ড স্থাপন করতে পারে।
অস্ট্রিয়া সম্ভবত কনরাড লেইমারকে পাবে না, যিনি হাঁটুর অস্বস্তির কারণে ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে পারেন না।
দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, কারণ তারা তাদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের পর একটি শক্তিশালী পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করবে।
ম্যাচের সময়সূচী অনুযায়ী, খেলা শুরু হবে সন্ধ্যা ৭:৩০ টায়।
দুই দলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেমন হবে তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত হয়নি।



