Bangladesh: বাংলাদেশে স্টারলিঙ্কের কার্যক্রম

bangladesh — BD news

“সাধারণ ব্যবহারকারীরা ফাইবার কভারেজের এলাকায় কেন্দ্রীভূত।” – শাহ আহমেদুল কবিরের এই মন্তব্য বাংলাদেশের স্টারলিঙ্ক কার্যক্রমের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে। স্টারলিঙ্ক, যা ২০২৫ সালের ২০ মে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়, গত ৮ মাসে মাত্র ৩,৪৬৯ জন গ্রাহক অর্জন করেছে।

স্টারলিঙ্কের আবাসিক প্যাকেজের মূল্য ৬,০০০ টাকা এবং ৪,২০০ টাকার মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয় ব্রডব্যান্ড সেবাগুলোর দাম শুরু হয় ৪০০ টকায় ৫ এমবিপিএসে। এই মূল্য পার্থক্য গ্রাহকদের জন্য একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শাহ আহমেদুল কবিরের মতে, “এটি অস্বাভাবিক যে মানুষ বিদ্যমান ব্রডব্যান্ড পরিষেবা পরিত্যাগ করবে, উল্লেখযোগ্য মূল্য পার্থক্যের কারণে।”

বাংলাদেশে মোট ১৩ কোটি ইন্টারনেট গ্রাহক রয়েছে, যার মধ্যে ১.৪৫ কোটি ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারী। এই পরিসংখ্যানগুলি দেখায় যে স্টারলিঙ্কের গ্রহণযোগ্যতা স্থানীয় বাজারে তুলনামূলকভাবে কম। স্টারলিঙ্কের কার্যক্রমের তুলনায় কেনিয়া এবং নাইজেরিয়ায় এর গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি।

বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি প্রায় ৪০০ স্টারলিঙ্ক টার্মিনাল বিক্রি করেছে এবং স্টারলিঙ্ক গাজীপুরের কালিয়াকাইরে হাই-টেক সিটিতে অবকাঠামো নির্মাণ করেছে। স্টারলিঙ্কের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিবেশী দেশগুলিতে অFiltrated ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করার।

এদিকে, ১৯৯৬ সালের গঙ্গা জল চুক্তি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অকার্যকর হয়ে পড়ার আলোচনা চলছে। ফারহানা সুলতানার মতে, “চুক্তিটি জলকে ভাগযোগ্য পণ্য হিসেবে বিবেচনা করে… বরং এটি একটি ভাগ করা, আন্তঃসংযুক্ত পরিবেশগত ব্যবস্থা।”

বাংলাদেশ ১৯৯৭ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ৩০০টি মামলার মধ্যে ৯৪টি ক্ষেত্রে চুক্তির শেয়ার থেকে কম পরিমাণে জল পেয়েছে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের জলবায়ু বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। ড. আহাদ চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশের কাছে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ, নথিভুক্ত ব্যর্থতা, নৈতিক কর্তৃত্ব এবং জলবায়ু বাস্তবতা রয়েছে।”

স্টারলিঙ্কের কার্যক্রম এবং গঙ্গা জল চুক্তির বর্তমান পরিস্থিতি বাংলাদেশের প্রযুক্তি এবং পরিবেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় নির্দেশ করছে। ভবিষ্যতে কীভাবে এই পরিস্থিতি বিকশিত হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলমান।