২০২৬ সালের ১ মে বাংলাদেশে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন করা হবে। এই দিনটি গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বোধিসত্ত্বতা এবং মহাপরিনির্বাণকে স্মরণ করে।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন বলেছেন, “বুদ্ধ পূর্ণিমার পুণ্য উপলক্ষে আমি দেশ ও বিদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।” প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানও একইভাবে বক্তব্য রেখেছেন। তিনি বলেন, “ধর্ম ব্যক্তির, কিন্তু নিরাপত্তার অধিকার সবার।”
বুদ্ধ পূর্ণিমা আন্তর্জাতিক ভেসাক দিবস হিসেবে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত। এটি বৌদ্ধদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র উৎসব। এই উপলক্ষে বাংলাদেশে ধর্মীয় উৎসবে ব্যাপক উত্সাহ দেখা যাবে।
উৎসবের কার্যক্রম:
- শান্তি মিছিল অনুষ্ঠিত হবে, যাতে বৌদ্ধ ভক্তরা অংশগ্রহণ করবেন।
- ভক্তরা গৌতম বুদ্ধের মূর্তিতে ফল, ফুল এবং মোমবাতি নিবেদন করবেন।
- আলোচনা, ধ্যান এবং দাতব্য কাজের আয়োজন করা হবে।
পূৰ্ণিমার সময়সূচী অনুযায়ী, এটি ৩০ এপ্রিল রাত ৯:১৩ থেকে শুরু হয়ে ১ মে রাত ১০:৫৩ পর্যন্ত চলবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ভক্তরা এই দিনটি উদযাপন করবেন।
বাংলাদেশে এই দিনটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়। বৌদ্ধ সম্প্রদায় ছাড়াও হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাও এই দিনটি পালন করে থাকেন।
এই বছর বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন শান্তি ও সামাজিক উন্নয়নের বার্তা ছড়িয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।



