নটিংহাম ফরেস্টের ৩-১ জয়ে চেলসিকে পরাজিত করার ফলে তাদের প্রিমিয়ার লিগে টিকে থাকার আশা বাড়ল, অথচ চেলসির ইউরোপীয় ফুটবলে প্রবেশের প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত হলো।
এই ফলাফলের মাধ্যমে নটিংহাম ফরেস্ট বর্তমানে ১৬তম স্থানে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করছে, যা তাদের রিলিগেশন জোনের পাঁচ পয়েন্ট উপরে রেখেছে। অন্যদিকে, চেলসি ৮ম স্থানে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে এবং তাদের সামনে চারটি প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচ বাকি আছে।
চেলসি গত দুই লিগ ম্যাচে নটিংহাম ফরেস্টকে পরাজিত করেছিল, কিন্তু তারা ১৯৯৮ সালের সেপ্টেম্বরে নটিংহাম ফরেস্টের বিরুদ্ধে শেষবার স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে জিতেছিল।
নটিংহাম ফরেস্টের মর্গান গিবস-হোয়াইট তার শেষ সাতটি প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে সাত গোল করেছেন। এই পারফরম্যান্স তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে।
চেলসি এখন ১০ পয়েন্ট পিছিয়ে আছে অ্যাস্টন ভিলার থেকে, যারা পঞ্চম স্থানে রয়েছে। এই পরিস্থিতি তাদের জন্য উদ্বেগজনক হতে পারে, বিশেষ করে যদি তারা গত মৌসুমে ১২তম স্থানে শেষ হওয়ার মতো অবস্থা তৈরি করে।
অন্যদিকে, নটিংহাম ফরেস্ট এই জয়ের মাধ্যমে পশ্চিম হাম এর সাথে তাদের মধ্যে ছয় পয়েন্টের দূরত্ব তৈরি করেছে। এটি তাদের রিলিগেশন থেকে বাঁচার সম্ভাবনা বাড়ায়।
চেলসি সমর্থকরা দ্বিতীয়ার্ধে জোয়াও পেদ্রোর গোল খুঁজে পাওয়ার সময় “আমরা একটি গোল করেছি” এবং “আমরা প্রায় একটি গোল করেছি” গান গাইছিলেন। এই পরিস্থিতি দলের মধ্যে চাপ সৃষ্টি করেছে।
চেলসি এখন পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগে কর্নার থেকে ১১ গোল খেয়েছে, যা তাদের জন্য একটি উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান।
নটিংহাম ফরেস্ট ও চেলসির মধ্যে মোট ১০১টি ম্যাচ হয়েছে, যেখানে চেলসি ৪৩টি ম্যাচ জিতেছে এবং ২৭টি ম্যাচ হারিয়েছে। এই পরিসংখ্যানগুলি প্রতিযোগিতার ইতিহাসকে নির্দেশ করে।
এখন দেখার বিষয় হলো চেলসি কিভাবে নিজেদের পুনরুদ্ধার করতে পারে এবং আগামী ম্যাচগুলোতে তারা কি ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হয়।



