contact — BD news

Contact: যোগাযোগের ক্ষেত্রে অস্থিরতা: শ্বপনোর নতুন সংকট

বৃহত্তর চিত্র

এমডি কামরুজ্জামান মিলুর পদত্যাগের পর শ্বপনোতে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে তিনি ইমেইলের মাধ্যমে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন, কিন্তু আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর সম্পন্ন না করেই তিনি যোগাযোগের বাইরে চলে যান। এই ঘটনার ফলে শ্বপনোর পরিচালনায় কিছু অস্বস্তি তৈরি হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

মিলুর বিরুদ্ধে তার tenure চলাকালীন সম্ভাব্য আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। শ্বপনো এই বিষয়ে তদন্ত চালানোর জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে এবং মিলুকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কর্পোরেট গভর্নেন্সের প্রতি প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেছে।

শ্বপনো, যা বাংলাদেশের বৃহত্তম খুচরা চেইনগুলোর মধ্যে একটি, মিডিয়া প্রতিনিধিদের নির্দেশনা দিয়েছে যে, বিজ্ঞাপন এবং জনসংযোগ সংক্রান্ত সব প্রশ্ন এমডি আতিকুর রহমান বা এমডি মাহাদি ফয়সালের কাছে পাঠানো হবে। মিলুর সাথে যোগাযোগ না করার জন্যও বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে, যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই অস্থিরতা কিভাবে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমকে প্রভাবিত করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। শ্বপনো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ লেন্সের বাজার ২০২৪ সালে ১০.১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং ২০৩৩ সালের মধ্যে তা ১৬.১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে বৃদ্ধি পাবে। এই তথ্যগুলি যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি বৃহত্তর প্রেক্ষাপট তৈরি করে, যেখানে ২.২ বিলিয়ন মানুষ দৃষ্টিশক্তি সমস্যায় ভুগছেন।

শ্বপনোর এই সংকটের ফলে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং বাজারে অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে, তদন্তের ফলাফল এবং প্রতিষ্ঠানটির পরবর্তী পদক্ষেপগুলি এই পরিস্থিতির উন্নতি বা অবনতি নির্ধারণ করবে।

এখনো কিছু বিষয় নিশ্চিত নয়। মিলুর পদত্যাগ এবং তার পরবর্তী অদৃশ্য হওয়ার কারণে অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা। শ্বপনো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আরও তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছি।