ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বাজারের পতন
“বাজারটি মূলত ইরান সংঘাতের কারণে আতঙ্কের মধ্যে পড়ে গেছে,” বলেছেন কেজি মনিরুল ইসলাম। এই মন্তব্যটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (DSEX) সূচক ৩.৭৭ শতাংশ, অর্থাৎ ২০৯ পয়েন্ট কমে ৫,৩২৫ এ পৌঁছানোর পর এসেছে।
গত কয়েকদিন ধরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বাজারের অবস্থা উদ্বেগজনক ছিল। বৃহস্পতিবার DSEX সূচক ৮২ পয়েন্ট কমে ৫,২৪১ এ পৌঁছেছে। এই পতনের ফলে ৩০৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে, যেখানে মাত্র ৫২টি কোম্পানি লাভের মুখ দেখেছে এবং ৩৩টি কোম্পানি অপরিবর্তিত রয়েছে।
অন্যদিকে, DS30 সূচক ৪ শতাংশ কমে ২,০৫০ এ পৌঁছেছে এবং CASPI সূচক ২.৬ শতাংশ কমে ১৫,০৮৫ এ পৌঁছেছে। এর ফলে গত তিন দিনে মোট ২৯৩ পয়েন্টের ক্ষতি হয়েছে।
কেজি মনিরুল ইসলাম আরও বলেন, “বিনিয়োগকারীরা এখন বুঝতে পারছেন যে যুদ্ধের ফলে অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়বে।” তিনি উল্লেখ করেন যে অনেক বিনিয়োগকারী তাদের পোর্টফোলিওতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ লাভ দেখেছেন, যদিও শেয়ারগুলি এখনও মূল্যহীন।
বর্তমানে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত, বিশেষ করে ইরানকে কেন্দ্র করে, বৈশ্বিক তেল ও এলএনজি দামের উর্ধ্বগতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি বাজারের উপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে।
গত ৯ মার্চ ২০২০ সালে DSEX সূচক একক সেশনে এত বেশি পতন দেখেনি। বর্তমান পরিস্থিতি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং বাজারের স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও নিশ্চিত নয়। ভবিষ্যতে শক্তির দামের প্রবণতা এবং তাদের অর্থনীতির উপর প্রভাবও অনিশ্চিত।



