বাগেরহাটের হজরত খান জাহান আলী (রা) এর মাজারের পাশে একটি পুকুরে কুমিরের হামলায় একটি কুকুর মারা গেছে। এই ঘটনার পর, বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যার প্রধান হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে আতিয়া খাতুনকে। তদন্ত কমিটি শীঘ্রই ঘটনাস্থলে উপস্থিত সকলের সাথে কথা বলবে এবং একটি রিপোর্ট জমা দেবে। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন নিশ্চিত করেছেন যে, তদন্ত কমিটি দ্রুত রিপোর্ট জমা দেবে।
ঘটনার সময় একটি ভিডিওতে দেখা যায় যে, কুমিরটি কুকুরটিকে পানির নিচে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। Witnesses reported that the dog had bitten two guards before entering the water. কুকুরটি ঘটনাস্থলে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং পরে এটি সমাহিত করা হয়, তবে রেবিস পরীক্ষা করার জন্য একটি অটোপ্সি করা হয়। কুকুরটির মাথা কেন্দ্রীয় রোগ তদন্ত ল্যাবরেটরিতে (CDIL) পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া, কুমিরটি ২০০৫ সালে মাদ্রাজ, ভারত থেকে আনা পাঁচটি কুমিরের মধ্যে শেষ বলে মনে করা হচ্ছে। এই পুকুরে জীবন্ত প্রাণী নিক্ষেপের প্রথা মূলত অন্ধবিশ্বাসের কারণে।
গোলাম মো. বাতেন বলেন, “আমি খদেমদের এবং মাজারের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের নির্দেশ দিয়েছি যে, তারা যেন কুমিরের খাবার হিসেবে পুকুরে কোন জীবন্ত প্রাণী নিক্ষেপ না করেন।”
ঘটনাটি সামাজিক মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। ফকির তারিকুল ইসলাম বলেন, “যদি আপনি মূল ভিডিওটি দেখেন, তাহলে দেখতে পাবেন কুকুরটি নিজেই পানিতে প্রবেশ করছে এবং ফিরে আসতে পারছে না। কেউ এটি পানিতে নিক্ষেপ করেনি।”
এখন, তদন্ত কমিটি এই ঘটনার পেছনে থাকা সকল তথ্য সংগ্রহ করবে এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে।



