ecuador — BD news

Ecuador: ইকুয়েডর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান

ইকুয়েডরে সামরিক অভিযান শুরু

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইকুয়েডরের মধ্যে একটি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে, যা মাদক সম্পর্কিত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যবস্তু। এই অভিযানটি ২০২৬ সালের ৩ মার্চ থেকে কার্যকর হয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ কমান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা ইকুয়েডরে নির্দিষ্ট সন্ত্রাসী সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলা চালাবে। জেনারেল ফ্রান্সিস ডোনোভান এই মিশনকে নারকো-সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

বর্তমানে, এই অভিযানটি ইকুয়েডরের সেনাবাহিনীর জন্য কেবল লজিস্টিক এবং গোয়েন্দা সহায়তা সীমাবদ্ধ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলছেন, “আমরা সেই নারকো-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছি, যারা দীর্ঘকাল ধরে অঞ্চলটির নাগরিকদের মধ্যে ভয়, সহিংসতা এবং দুর্নীতি চাপিয়ে দিয়েছে।”

এদিকে, ইকুয়েডর কিউবার রাষ্ট্রদূত এবং কূটনৈতিক কর্মীদের বহিষ্কার করেছে, যা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের একটি গুরুতর ভাঙন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া কিউবান কূটনীতিকদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে ভিয়েনা কনভেনশনের ৯ নম্বর ধারা উল্লেখ করে সঠিক বলে দাবি করেছেন।

নোবোয়া কিউবার রাজধানী হাভানায় ইকুয়েডরের রাষ্ট্রদূত হোসে মারিয়া বোর্জা লোপেজের অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন। কিউবার রাষ্ট্রদূতকে ইকুয়েডর ছাড়ার জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময় দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনাগুলি ইকুয়েডরের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা এবং কিউবার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

নোবোয়া এই সহযোগিতাকে মাদক পাচার এবং অবৈধ খনির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একটি ‘নতুন পর্যায়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

এই সামরিক অভিযান এবং কিউবার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ইকুয়েডরের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমানে, পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং এই ঘটনাগুলির পরিণতি কী হবে তা এখনও অজানা।