সংখ্যাগুলি
বাংলাদেশে ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। দেশের মুসলিম জনগণের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। ঈদুল ফিতরের ছুটি সাত দিন বাড়ানো হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ মার্চও অন্তর্ভুক্ত।
ঈদ উদযাপনের তারিখ চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল। ১৯ মার্চ, ২০২৬ তারিখে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি, ফলে ঈদ ২০ মার্চ উদযাপিত হবে। ঈদের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহে সকাল ৮:৩০ টায় অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৭০ মিলিয়ন, যার মধ্যে ৯০ শতাংশ মুসলিম। ঈদুল ফিতর রমজান মাসের শেষে উদযাপিত হয়, যা উপবাস, প্রার্থনা এবং চিন্তাভাবনার জন্য উৎসর্গীকৃত।
ঈদের প্রার্থনা সাধারণত সূর্যোদয়ের পর বড় সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা শহরে বিখ্যাত মসজিদগুলোর মধ্যে রয়েছে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ, তারা মসজিদ এবং শাহি ঈদগাহ সিলেট।
জাতীয় ঈদগাহে প্রার্থনার জন্য ৩৫,০০০ মানুষের ধারণক্ষমতা রয়েছে। বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে পাঁচটি ঈদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকায় ঈদের প্রার্থনার সময় সকাল ৭:০০ টা এবং চট্টগ্রামে ৬:৫০ টা।
ঈদের আগে, জাকাতুল ফিতর একটি দানীয় কর্তব্য হিসেবে পালন করা হয়, যা ঈদের ফজরের প্রার্থনার আগে দেওয়া হয়। ২০২৫ সালে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর ৩১ মার্চ উদযাপিত হয়েছিল।
কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন বলেছেন, “শাওয়াল মাসের চাঁদ আজ দেশের আকাশে দেখা যায়নি।” তিনি আরও জানান, “ঈদুল ফিতর শনিবার উদযাপিত হবে।”



