মধ্যপ্রাচ্যে ১৯ মার্চ, ২০২৬ তারিখে একটি যুক্তরাষ্ট্রের এফ ৩৫ ফাইটার জেট জরুরি অবতরণ করেছে। এই বিমানটি ইরানের উপর একটি যুদ্ধ মিশন পরিচালনা করছিল যখন এটি সন্দেহজনক ইরানি আগুনের শিকার হয়।
জরুরি অবতরণের সময় বিমানটির পাইলট নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হন এবং বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকর্তাদের দ্বারা।
এফ ৩৫ বিমানটির মূল্য ১০০ মিলিয়ন ডলার থেকে শুরু হয়। সাম্প্রতিক সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রায় ১২টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হারিয়েছে এবং কমপক্ষে ১৩ জন মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হয়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস দাবি করেছে যে তারা একটি মার্কিন বিমানকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে, অস্ট্রেলিয়া তাদের চতুর্থ স্কোয়াড্রন এফ ৩৫ কেনার পরিকল্পনা বাতিল করেছে। অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে এফ ৩৫-এর বৃহত্তম রপ্তানি গ্রাহক।
অস্ট্রেলিয়া ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে তার চূড়ান্ত লকহিড মার্টিন এফ ৩৫ গ্রহণ করেছে এবং তাদের মোট ১০০টি এফ ৩৫ কেনার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে তারা ৭২টি কেনার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এফ ৩৫ বিমানটি ২০১৮ সাল থেকে যুদ্ধ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই ঘটনার পর, পাইলট ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেছেন, “বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে এবং পাইলট স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।” তিনি আরও জানান, “এই ঘটনা তদন্তাধীন।”
এফ ৩৫-এর জরুরি অবতরণের সঠিক কারণ এখনও তদন্তাধীন রয়েছে। ভবিষ্যতে এই সংঘাতের সময়সীমা এবং উন্নয়ন সম্পর্কে বিস্তারিত নিশ্চিত নয়।



