যা পর্যবেক্ষকরা বলছেন
২০২৬ সালের ২৫ মার্চ, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সামরিক কার্যকলাপ একটি নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইরান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী জাহাজের দিকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এই ঘটনাটি ইরানের বুশেহর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে, যা বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
ইরানের পাকিস্তানে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে কোনো আলোচনা হয়নি। এই অবস্থায়, ইরানের বিপ্লবী গার্ডস বাহিনী কুয়েত, জর্ডান এবং বাহরাইনে মার্কিন বাহিনীর সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কথার পর, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, চলচ্চিত্র নির্মাতা আব্বাস কিয়ারোস্তামির বাড়ি মার্কিন-ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের সময় আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ শেষ করার জন্য পাঁচটি শর্ত নির্ধারণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে পারস্য উপসাগরে সমস্ত মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ করার দাবি। এই পরিস্থিতিতে, ইরানের অভ্যন্তরীণ সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে একটি সংকট তৈরি হয়েছে।
যুদ্ধের শুরু থেকে ইরানে অন্তত ২৪৩ জন ছাত্র এবং শিক্ষক নিহত হয়েছে। এই সংখ্যা যুদ্ধের প্রভাব এবং মানবিক সংকটের গভীরতা নির্দেশ করে।
বর্তমানে, ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের ৩,০০০ সৈন্য মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর ফলে, তেলের দামে ৬.৩% এবং ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দামে ৫.২% হ্রাস দেখা গেছে।
ইরানের পরিস্থিতি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। বিস্তারিত নিশ্চিত নয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে, এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ভলকার টার্ক বলেছেন, “এই সংঘাত বন্ধ করার জন্য একটি নিশ্চিত উপায় হল এটি শেষ করা।”



