ইসরায়েল প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে যুদ্ধের প্রেক্ষাপট
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক হামলা তেল বাজারে বিশাল উত্থান ঘটিয়েছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনের উপর রাশিয়ার আক্রমণের পর থেকে এটি সবচেয়ে বড় তেলের দাম বৃদ্ধির ঘটনা। এই পরিস্থিতিতে, ইসরায়েল প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জোগের নেতৃত্বে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সূচনা হয়েছে।
২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হার্জোগ বলেছেন, “ইরানের ক্ষমতা হ্রাস করা আমাদের প্রধান নিয়ম।” তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, এই যুদ্ধ ইরানের জনগণের জন্য তাদের শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার সুযোগ সৃষ্টি করছে।
যুদ্ধের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলে তার দূতাবাসের কিছু কর্মচারীকে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে সরিয়ে নিতে অনুমতি দিয়েছে। ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্টা দাবি করেছেন যে, এই যুদ্ধের ফলে রাশিয়া একমাত্র লাভবান হচ্ছে। তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত, এই যুদ্ধে একমাত্র বিজয়ী রাশিয়া।”
হার্জোগের মতে, মার্কিন এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা অতুলনীয়। তিনি বলেন, “আমাদের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যে অসাধারণ সহযোগিতা রয়েছে, তা অতুলনীয়।” এই সহযোগিতা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় আরও শক্তিশালী হয়েছে।
যুদ্ধের প্রভাব তেল বাজারে স্পষ্ট। তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। ইউরোপের জন্য রাশিয়া থেকে তেলের আমদানি ২০২৫ সালের মধ্যে ১৩ শতাংশে নেমে আসবে, যা পূর্বে ৪০ শতাংশ ছিল।
হার্জোগের বক্তব্যে আরও উঠে এসেছে যে, ইরানের শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের বিদ্রোহের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমি জানি ব্যবসায়িক জগতে আপনারা সহজ সময় পার করছেন না।”
এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখনও রাশিয়া, ইরান এবং ভেনেজুয়েলার তেল খাতের উপর নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে। যুদ্ধের এই পরিস্থিতি সামনে রেখে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত নয়।



