জাপান মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে তেলের ঘাটতি মোকাবেলার জন্য ৮০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল মুক্তি দিচ্ছে। এই পদক্ষেপটি তেল সরবরাহ স্থিতিশীল করতে এবং দেশটির অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।
জাপান তার কাঁচা তেলের ৯০% এরও বেশি মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে। এই কারণে, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতা সরাসরি জাপানের তেল সরবরাহকে প্রভাবিত করছে।
মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে, জাপানে গ্যাসোলিনের গড় খুচরা মূল্য ১৯০.৮০ ইয়েন প্রতি লিটার পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা একটি রেকর্ড। এই মূল্যবৃদ্ধি দেশের সাধারণ মানুষের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে।
সরকার তেলের ঘাটতি মোকাবেলার জন্য তাপীয় শক্তি উৎপাদনে কয়লার উপর নির্ভর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জাপানের তেল মুক্তি আটটি স্থানে, যেমন এহিমে, ফুকুওকা, নাগাসাকি এবং কাগোশিমা প্রদেশে অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৫ সালের শেষের দিকে, জাপানের তেল মজুদ প্রায় ৪৭০ মিলিয়ন ব্যারেল ছিল, যা দেশের দৈনিক ব্যবহারের জন্য ২৫৪ দিনের সমান।
সরকার গ্যাসোলিনের দাম কমানোর জন্য রাজ্য সাবসিডি পুনরায় চালু করেছে। এছাড়া, জাপানের রসায়ন খাত নাফথা, যা প্লাস্টিক এবং সিন্থেটিক ফাইবারের জন্য একটি কাঁচামাল, সংগ্রহে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
জাপানের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। জাপানের তেল কোম্পানিগুলোকে আরও সরবরাহ সুরক্ষিত করার জন্য উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। রিওসেই আকাজাওয়া বলেন, “আমরা আশা করি (তেল কোম্পানিগুলো) যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে আরও সরবরাহ সুরক্ষিত করার চেষ্টা করবে।”
সরকারের পক্ষ থেকে সানায়ে তাকাইচি জানিয়েছেন, “সরকার প্রয়োজনীয় সব কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।”
তবে, পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল এবং বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত নয়।



