গত বছরের ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক অসন্তোষের কারণে নেপালে ব্যাপক অশান্তি সৃষ্টি হয়। এই অশান্তির ফলে ৭০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যায়, যার মধ্যে ১৯ জন যুবক ছিল। অশান্তির সময় সরকারি ভবন এবং সংসদে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে, যা কেপি শর্মা ওলির প্রশাসনের পতনের কারণ হয়।
২০২৩ সালের ২৮ মার্চ, কেপি শর্মা ওলিকে গ্রেফতার করা হয়। এই গ্রেফতার বালেন্দ্র শাহের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার এক দিন পর ঘটে। ওলিকে ভক্তপুরের গুণ্ডু এলাকায় তার বাসভবন থেকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারকালে, প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামেশ লেকহককেও আটক করা হয়। কাথমান্ডু ভ্যালি পুলিশ জানিয়েছে যে আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
একটি উচ্চ-স্তরের কমিশন কেপি শর্মা ওলি এবং রামেশ লেকহককে অপরাধমূলক অবহেলার জন্য সর্বাধিক ১০ বছরের কারাদণ্ডের সুপারিশ করেছে। কমিশন জানিয়েছে যে নেতাদের নিরাপত্তা বাহিনীকে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার জন্য সরাসরি কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এই অশান্তির ফলে ৭০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৯ জন যুবক ছিল। অশান্তির সময় সরকারি ভবন এবং সংসদে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে, যা ওলির প্রশাসনের পতনের কারণ হয়।
শাহ প্রশাসনের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকের সময় কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সুদান গুরুঙ বলেন, “এটি প্রতিশোধের কাজ নয়; এটি ন্যায়বিচারের শুরু।” তিনি আরও বলেন, “কেউ আইন থেকে উপরে নয়।”
অন্যদিকে, কেপি শর্মা ওলি বলেছেন, “আমি আইনিভাবে অভিযোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার ইচ্ছা প্রকাশ করছি।”
এই ঘটনার পর নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে এবং পর্যবেক্ষকরা দেখছেন যে এটি দেশের ভবিষ্যতের জন্য কী প্রভাব ফেলবে।



