ওসমান পাটওয়ারির শেষ ফোনকল
‘আব্বু, আমি আজ প্রতিবাদে যাচ্ছি। আমরা হয়তো আর দেখা হবে না। দয়া করে আমাকে মাফ করে দিন,’ এই কথাগুলি বলেছিলেন ওসমান পাটওয়ারি, চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। এই ফোনকলটি ছিল তার বাবার সঙ্গে তার শেষ কথোপকথন, যা ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকাল ৯টায় হয়েছিল।
ওসমান পাটওয়ারি প্রতিবাদে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যা লক্ষ্মীপুরে জুলাই মাসের বিদ্রোহের সময় ঘটে। এই বিদ্রোহটি দেশের বিভিন্ন স্থানে কোটা সংস্কারের দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু, এই প্রতিবাদে যোগ দেওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেননি।
জুলাই মাসের এই বিদ্রোহের সময় ওসমান পাটওয়ারি নিহত হন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার পুত্র সালাহউদ্দিন টিপুর দ্বারা allegedly গুলি করা হয়েছিলেন। তার বাবার জন্য এই খবরটি ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তিনি বলেন, ‘এই ফোনের মালিক ছেলে মৃত।’
ওসমানের মৃত্যুর পর তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসতে রাহমানের অনেক কষ্ট হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সমর্থিত কর্মীদের দ্বারা বাধার কারণে তিনি সমস্যায় পড়েন। অবশেষে, ৫ আগস্ট তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং তাকে দাফন করা হয়।
এদিকে, আন্তর্জাতিক শক্তির বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা (আইইএ) মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে একটি জরুরি সভা আহ্বান করেছে। আইইএ-এর প্রধান ফাতিহ বিইরল বলেন, ‘আমি সদস্য দেশগুলোর জন্য একটি বিশেষ সভা আহ্বান করেছি, যা আজ অনুষ্ঠিত হবে।’
আইইএ-এর সভার উদ্দেশ্য হলো বর্তমান সরবরাহ নিরাপত্তা এবং বাজারের পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা, যাতে জরুরি স্টক বাজারে উপলব্ধ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। এই সংকটের কারণে তেলের দাম ২০২২ সালের মাঝামাঝি থেকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে।
এছাড়াও, MRT-1 প্রকল্পের বিডিং মূল্য নিয়ে আলোচনা চলছে। CP-02 প্যাকেজের বিডিং মূল্য সরকারের প্রাথমিক অনুমানের তুলনায় ১৭২% বেশি হয়েছে। অন্যদিকে, CP-05 প্যাকেজের সর্বনিম্ন বিডিং মূল্য ২৬% বেশি। এই পরিস্থিতি প্রকল্পের অগ্রগতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



