শ্রোতারা কি বলছেন
“অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রপতির প্রতি একটি উচ্চ গতির ফ্লাইপাস্টের মাধ্যমে শেষ হবে, যা মিগ 29 যুদ্ধবিমান দ্বারা প্রদর্শিত হবে।” এই উক্তিটি স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডের সময়কার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তকে তুলে ধরে। ২০২৬ সালের ২৬ মার্চ, জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই প্যারেডে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন।
প্যারেডটি দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য আর্মি, নেভি এবং এয়ার ফোর্সের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়। প্যারেডে স্থল বাহিনী, বিশেষ বাহিনী এবং আকাশে প্রদর্শনী অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্যারেডের সময় ২৬ জন প্যারাট্রুপার জাতীয় পতাকা নিয়ে ১০,০০০ ফুট উচ্চতা থেকে নেমে আসে, যা উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।
মিগ 29 যুদ্ধবিমান রাষ্ট্রপতির প্রতি উড়ন্ত অভিবাদন জানিয়ে প্যারেডের একটি বিশেষ অংশ হিসেবে অংশগ্রহণ করে। প্যারেডটি সকাল ১০:০০ টায় শুরু হয় এবং ১১:৫৯ টায় শেষ হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কনভয় ১২:০৬ PM এ প্যারেড গ্রাউন্ড ত্যাগ করে।
এ বছর স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডটি ২০০৮ সালের পর প্রথম পূর্ণ আকারে উদযাপন করা হয়, যা ১৮ বছরের বিরতির পর অনুষ্ঠিত হয়। প্যারেডের প্রস্তুতি রমজান মাসের শুরুতেই শুরু হয়েছিল, যা এই অনুষ্ঠানের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
মিগ 29 যুদ্ধবিমান এবং অন্যান্য সামরিক বাহিনীর অংশগ্রহণ এই প্যারেডকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে পরিণত করেছে। স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে এবং দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রদর্শন করে।
মহান স্বাধীনতা দিবসের এই প্যারেডে অংশগ্রহণকারী সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বায়ুসেনার সদস্যরা দেশের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। প্যারেডের এই ধরনের আয়োজন দেশের জনগণের মধ্যে গর্ব এবং ঐক্যবোধ সৃষ্টি করে।
প্যারেডের পরবর্তী উন্নয়ন সম্পর্কে বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। তবে, এই ধরনের অনুষ্ঠানগুলি দেশের সামরিক শক্তি এবং ঐতিহ্যকে তুলে ধরার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।



