mohammad bagher ghalibaf — BD news

Mohammad bagher ghalibaf: মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ: একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

বৃহত্তর চিত্র

মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ, ৬৪ বছর বয়সী, একজন প্রাক্তন ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কমান্ডার এবং পাইলট। তিনি রাজনৈতিক ভূগোলে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ১৯৮০ থেকে ১৯৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। গালিবাফ ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ইরানের পুলিশ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০০৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তেহরানের মেয়র ছিলেন।

গালিবাফের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনবার প্রেসিডেন্ট পদের জন্য নির্বাচন করেছেন: ২০০৫, ২০১৩ এবং ২০১৭ সালে। তবে, তার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তিনি ১৯৯৭ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দ্বারা আইআরজিসি এয়ার ফোর্সের কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত হন। গালিবাফের সামরিক সংযোগ রয়েছে এবং তিনি আইআরজিসির মধ্যে প্রভাবশালী হিসেবে বিবেচিত হন।

সম্প্রতি, গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, তিনি দাবি করেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। গালিবাফের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে, ইরানের সামরিক নেতা মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, “যদি তারা এই ভুল করে [ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে আঘাত করে], আমরা তাদের প্যারালাইজ করে দেব এবং পারস্য উপসাগরে ডুবিয়ে দেব।”

গালিবাফ ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে সতর্কতা জারি করেছেন, বলেছেন, “ইরানি বাহিনী শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে, এবং যদি তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়, আমরা সেই অঞ্চলের দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে আক্রমণ করব।” এই বক্তব্য ইরানের সামরিক শক্তি এবং প্রতিরোধের মনোভাবকে তুলে ধরেছে।

গালিবাফের ছেলে ইশাকের কানাডায় স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে, যা তার পরিবারের রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও জটিল করে তুলেছে। গালিবাফের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এবং তার রাজনৈতিক কার্যক্রমের মধ্যে সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

গালিবাফের অতীতের কর্মকাণ্ড এবং তার বর্তমান রাজনৈতিক প্রভাবের মধ্যে সম্পর্ক স্পষ্ট নয়। তার রাজনৈতিক অবস্থান এবং আইআরজিসির মধ্যে তার প্রভাবের প্রকৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও নিশ্চিত নয়। গালিবাফের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার ভূমিকা কেমন হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

এখনও কিছু বিষয় অজানা রয়ে গেছে, যেমন গালিবাফের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ভবিষ্যৎ প্রভাব এবং তার অতীতের কর্মকাণ্ড কিভাবে তার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রভাবিত করবে।