“জোলঘদরের নিয়োগ ইরানের নেতৃত্বের সামরিক স্তর বাড়ানোর চেষ্টা নির্দেশ করে,” বলেছেন বিশ্লেষক আলি হাসেম।
মোহাম্মদ বাগের জোলঘদরকে ২০২৬ সালের ২৫ মার্চ ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এসএনএসসি) প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি আলি লারিজানির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন, যিনি একটি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।
জোলঘদর, যিনি ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) একজন প্রাক্তন কমান্ডার, ২০২৩ সাল থেকে এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিলের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি আইআরজিসির যৌথ স্টাফের প্রধান এবং উপ-কমান্ডার-ইন-চিফের মতো উচ্চ পদে কাজ করেছেন। জোলঘদরের নিয়োগ ইরানের ক্ষমতা কাঠামোর মধ্যে আইআরজিসির বাড়তে থাকা প্রভাবকে প্রতিফলিত করে।
জোলঘদরের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে ইরানের নিরাপত্তা এবং বিদেশী নীতি পরিচালনা করা, যা চলমান সামরিক চাপের মধ্যে রয়েছে। এসএনএসসি ইরানে নিরাপত্তা এবং বিদেশী নীতি সমন্বয় করে এবং এতে শীর্ষ সামরিক ও সরকারী কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, “যে কেউ আলোচনার টেবিলে থাকবে, তাকে জোলঘদরের স্বাক্ষর পেতে হবে।”
জোলঘদর ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় যুদ্ধ করেছিলেন, যা ১৯৮০ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত চলেছিল।
জোলঘদরের নিয়োগ মেহদি তাবাতাবায়ি, পেজেশকিয়ানের অফিসের যোগাযোগের উপ-পরিচালক দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছে।
জোলঘদরের নিয়োগের মাধ্যমে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে সামরিক প্রভাবের সংহতি ঘটছে।
এখন দেখার বিষয়, জোলঘদরের নেতৃত্বে ইরান কিভাবে তার নিরাপত্তা এবং বিদেশী নীতিতে পরিবর্তন আনবে।



