বৃহত্তর চিত্র
২০২৬ সালের ২৮ মার্চ, পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দল মেক্সিকোর বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রীতি ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে। ম্যাচটি হবে মেক্সিকোর সিটি অব মেক্সিকোতে অবস্থিত এস্তাদিও আজটেকায় রাত ৯:০০ টায়। এই ম্যাচটি পর্তুগালের জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে তারা চারটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে।
রবার্তো মার্টিনেজ, পর্তুগাল দলের কোচ, এই ম্যাচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে মিস করবেন। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ডিয়োগো কোস্টা, রুবেন ডিয়াস এবং বার্নার্ডো সিলভা এই ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। তবে, নতুন খেলোয়াড় মাতোস ফার্নান্দেস প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন, যা দলের জন্য একটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
পর্তুগাল তাদের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করেছে এবং ইতিমধ্যে তাদের প্রথম তিনটি বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার ম্যাচে জয়লাভ করেছে। তবে, তারা হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে ২-২ ড্র এবং রিপাবলিক অফ আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২-০ হারে কিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। পর্তুগাল একটি বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার ম্যাচে আর্মেনিয়াকে ৯-১ গোলে পরাজিত করেছে, যা তাদের শক্তিশালী অবস্থান নির্দেশ করে।
পর্তুগাল এবং মেক্সিকোর মধ্যে পাঁচটি পূর্ববর্তী ম্যাচে পর্তুগাল কখনো হারেনি, যা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে। মার্টিনেজ বলেন, “এই প্রশিক্ষণ শিবির শারীরিক ব্যবস্থাপনা এবং নতুন খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়ার জন্য। আমাদের নতুন খেলোয়াড় রয়েছে যারা কিছু ভিন্নতা আনতে পারে, এবং এখন আমাদের বিশ্বকাপের জন্য সেরা দল তৈরি করার সুযোগ রয়েছে।”
বিশ্বকাপের আসন্ন সংস্করণটি যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ৪৮টি দল অংশগ্রহণ করবে। এই পরিবর্তনটি বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। পর্তুগাল তাদের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই ম্যাচটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে।
রিকার্ডো হোর্তা, একজন পর্তুগাল খেলোয়াড়, বলেছেন, “আমি বিশ্বকাপে যাওয়ার জন্য সবকিছু করব। ডাক না পাওয়ার পরও আমি কাজ চালিয়ে গেছি এবং আমার সেরা চেষ্টা করতে চেষ্টা করেছি।”
ম্যাচের ফলাফল এবং পরবর্তী উন্নয়ন সম্পর্কে বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত নয়। পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দলের জন্য এই ম্যাচটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে, যা তাদের বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।



