prime minister benjamin netanyahu — BD news

Prime minister benjamin netanyahu: প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি

পটভূমি

প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দীর্ঘ সময় ধরে আমেরিকার নেতাদের সাথে সংঘর্ষে রয়েছেন এবং গত তিন দশকের বেশিরভাগ সময় ক্ষমতায় রয়েছেন। ৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে হামাসের আকস্মিক হামলার পর নেতানিয়াহুর নিরাপত্তা পরিচয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা ইসরায়েলের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

নতুন ঘোষণা

নেতানিয়াহু সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানোর জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে এবং তিনি এই উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ বাজেট ঘোষণা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই যুদ্ধের জন্য প্রয়োজন হবে “দশকোটি শেকেল”। তিনি বলেন, “এতে কোনো সন্দেহ নেই যে আমাদের এই যুদ্ধে লড়াই করতে হবে, এবং আমরা আমাদের সৈন্য ও পাইলটদের সাথে যা কিছু সম্ভব তা করছি।”

অর্থনৈতিক প্রভাব

অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ নিশ্চিত করেছেন যে যুদ্ধের জন্য অতিরিক্ত ব্যয় দশকোটি শেকেলের কাছাকাছি পৌঁছাবে। তিনি বলেন, “আমরা দশকোটি শেকেলের কথা বলছি। এটি ব্যয় নয়, বরং একটি বিনিয়োগ।” এই অর্থনৈতিক চাপ ইসরায়েলের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে, বিশেষ করে যখন দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল।

নেতানিয়াহুর আহ্বান

নেতানিয়াহু ইরানের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যে তারা তাদের শাসকদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসুক এবং তাদের ক্ষমতাচ্যুত করুক। তিনি বলেন, “আমরা প্রথমত, ইরানি জনগণের জন্য তাদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের শর্ত তৈরি করতে যাচ্ছি।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

ট্রাম্পের প্রভাব

নেতানিয়াহুর ট্রাম্পের সাথে শেষ বৈঠক ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে হয়েছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নেতানিয়াহুর যুদ্ধের পদক্ষেপ তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার সিল করার একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ আগামী অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপগুলি ইসরায়েলের নিরাপত্তা এবং অর্থনীতির উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। ড্যান শাপিরো, একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক, বলেছেন, “যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি নেতানিয়াহুর চেয়ে আগে এই অভিযান শেষ করতে চান, তবে তিনি তা করবেন।”

নেতানিয়াহুর সামরিক পদক্ষেপের ফলে ইসরায়েলের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে পরিবর্তন আসতে পারে, তবে বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত নয়।