protest — BD news

Protest: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ: প্রশাসনিক অবহেলার বিরুদ্ধে ছাত্রদের আন্দোলন

বৃহত্তর চিত্র

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রশাসনিক অবহেলার বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী কর্মসূচি আয়োজন করতে যাচ্ছে। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হল বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য ছাত্রদের সার্টিফিকেট যাচাইকরণে প্রশাসনের অবহেলা তুলে ধরা। ছাত্রদের অভিযোগ, তারা যখন রেজিস্ট্রার অফিসে যাচ্ছেন, তখন তাদেরকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।

এই প্রতিবাদ কর্মসূচি “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন ছাত্র” ব্যানারে অনুষ্ঠিত হবে। ছাত্রদের দাবি, রেজিস্ট্রার অফিস বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট যাচাইকরণে যথাযথ সাড়া দিচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি তাদের সাথে যোগাযোগ করে না এবং যাচাইকরণ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সার্টিফিকেট যাচাইকরণের জন্য প্রতি ছাত্রের ৫০ ডলার ফি দিতে হয়। এই ফি পরিশোধের পর পরীক্ষার নিয়ন্ত্রক অফিস সার্টিফিকেট যাচাইকরণ করে এবং রেজিস্ট্রার অফিস যাচাইকরণের রিপোর্ট তৃতীয় পক্ষের সংস্থায় ইমেইলের মাধ্যমে পাঠায়।

ছাত্রদের মধ্যে অভিযোগ উঠেছে যে, অন্তত দুইজন ছাত্র বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ হারিয়েছেন সার্টিফিকেট যাচাইকরণের সমস্যার কারণে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং দাবি করেছে যে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর যাচাইকরণের অনুরোধে তারা সাড়া দেয়।

ছাত্র নেতা আরকো বরুয়া জানান, “কর্মসূচিতে আলোচনা হবে কিভাবে ইমেইল এবং কলের সঠিকভাবে উত্তর দিতে হয়, কর্মকর্তাদের দ্বারা প্রদত্ত সেবার মান এবং মান উন্নত করা এবং সার্টিফিকেট যাচাইকরণের জন্য নির্ধারিত ফি পুনর্বিবেচনা করা।” তিনি আরও বলেন, “যখন আমরা বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করি, তারা যাচাইকরণের জন্য ইমেইল পাঠায়। কিন্তু আমরা দেখেছি যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন প্রায়ই এই ইমেইলগুলোর উত্তর দেয় না এবং তাদের অবস্থানকে সমর্থন করে বিবৃতি জারি করে।”

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, যদি তৃতীয় পক্ষের সংস্থা ফি পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তবে ছাত্ররা নিজে থেকেই যাচাইকরণের ফি জমা দিতে পারেন। এই পরিস্থিতিতে ছাত্রদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে এবং তারা প্রশাসনের প্রতি তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, প্রশাসনের এই অবহেলা এবং ছাত্রদের প্রতিবাদ কতদূর যাবে এবং এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি পরিবর্তন হবে কিনা। বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত নয়।