“এই বছর আমরা বোমার শব্দ ছাড়া রোজা রাখছি। এটি সবকিছু পরিবর্তন করে।”
গাজায় রমজান উপলক্ষে মুসলিমরা আল-আকসা মসজিদের বাইরে প্রার্থনা করছে। ২০২৬ সালের রমজানটি গাজায় একটি নতুন আশা নিয়ে এসেছে, যেখানে অনেক পরিবার একটি ভঙ্গুর নিরাপত্তার অনুভূতি নিয়ে দিন কাটাচ্ছে।
মি. নুডলস, একটি খাদ্য বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান, দেশের বিভিন্ন orphanage-এ ৮,০০০ orphan ছাত্রদের মধ্যে ইফতার বিতরণ করছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি টোশান পল বলেন, “আমরা সবসময় অবহেলিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।”
গাজায় খাদ্যের অভাব এখনও অনেক পরিবারের জন্য একটি বাস্তবতা, যদিও ইসলামিক রিলিফ তাজা সবজি বিতরণ করছে।
গত দুই বছরে, ২০২৪ এবং ২০২৫ সালে, রমজান ছিল অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং অনেক পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।
এখন, গাজায় অনেক মসজিদ ধ্বংস হয়েছে, কিন্তু মানুষ একত্রে প্রার্থনা করার উপায় খুঁজে পেয়েছে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “উৎসবের আত্মা বিদ্যমান, কিন্তু এটি সংযত, প্রায় সতর্ক।”
গাজায় রমজান উপলক্ষে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি নতুন উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে, যেখানে তারা একত্রিত হয়ে প্রার্থনা করছে এবং একে অপরের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছে।
গাজা কখনো পরাজিত হবে না, এই বিশ্বাস নিয়ে তারা নতুন করে জীবনযাপন শুরু করেছে।
এখনও অনেক পরিবার খাদ্য সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছে, এবং তাদের জন্য সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।
গাজায় রমজান উদযাপন চলতে থাকবে, এবং আশা করা হচ্ছে যে আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে।



