refueling aircraft crash — BD news

Refueling aircraft crash: রিফুয়েলিং বিমান দুর্ঘটনা: পশ্চিম ইরাকে ছয় মার্কিন সেনা নিহত

২০২৬ সালের ১২ মার্চ, পশ্চিম ইরাকে একটি রিফুয়েলিং বিমান দুর্ঘটনা ঘটে, যা ছয়জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এটি একটি KC-135 Stratotanker বিমান ছিল, যা সাধারণত আকাশে জ্বালানি সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়। দুর্ঘটনাটি ঘটে যখন বিমানটি বন্ধুত্বপূর্ণ আকাশসীমায় ছিল এবং একটি অপর বিমান সম্পর্কিত অজ্ঞাত ঘটনার পর এটি ঘটে।

দুর্ঘটনার সময়, বিমানটিতে থাকা ছয়জন সেনা সদস্যের মধ্যে ছিলেন পাইলট এবং রিফুয়েলিং বিশেষজ্ঞরা, যারা মার্কিন বিমান বাহিনী এবং এয়ার ন্যাশনাল গার্ড ইউনিটের সাথে যুক্ত ছিলেন। পেন্টাগন নিহতদের নাম প্রকাশ করেছে, যার মধ্যে রয়েছেন মেজর জন “অ্যালেক্স” ক্লিনার, ক্যাপ্টেন অ্যারিয়ানা সাভিনো, টেক সার্জেন্ট অ্যাশলে প্রুইট, ক্যাপ্টেন সেথ কোভাল, ক্যাপ্টেন কার্টিস অ্যাংস্ট, এবং টেক সার্জেন্ট টাইলার সিমন্স।

দুর্ঘটনার পর পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে যে এটি শত্রু বা বন্ধুদের আগুনের কারণে ঘটেনি। দ্বিতীয় বিমানটি, যা ঘটনার সাথে জড়িত ছিল, নিরাপদে ইসরায়েলে অবতরণ করেছে। এই দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে, তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

KC-135 Stratotanker বিমানটি ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেবায় রয়েছে এবং এটি বোয়িং ৭০৭-এর একটি ডেরিভেটিভ। এটি মাঝ আকাশে জ্বালানি সরবরাহের পাশাপাশি চিকিৎসা উদ্ধারকালে আহত ব্যক্তিদের পরিবহনেও ব্যবহৃত হয়। এই বিমানটি বিভিন্ন মারাত্মক দুর্ঘটনায় জড়িত হয়েছে, যার মধ্যে সর্বশেষটি ২০১৩ সালে ঘটে।

দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে টেক সার্জেন্ট অ্যাশলে প্রুইট ৯০০টি যুদ্ধ ফ্লাইট ঘণ্টা, ক্যাপ্টেন অ্যারিয়ানা সাভিনো ৩০০টি যুদ্ধ ঘণ্টা এবং ক্যাপ্টেন সেথ কোভাল ২০০০ ফ্লাইট ঘণ্টা সম্পন্ন করেছেন। মেজর জন ক্লিনার ৮ বছর ধরে বিমান বাহিনীতে সেবা করেছেন এবং টেক সার্জেন্ট টাইলার সিমন্স তিনটি মোতায়েন সম্পন্ন করেছেন।

এই দুর্ঘটনা মার্কিন বিমান বাহিনী সম্প্রদায়ের জন্য একটি দুঃখজনক ক্ষতি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ওহিও এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের ১২১তম এয়ার রিফুয়েলিং উইং জানিয়েছে, “আমরা তাদের প্রিয়জনদের দুঃখে শেয়ার করছি এবং আমাদের দেশের জন্য এই এয়ারম্যানদের মূল্যবান অবদান ভুলে যাওয়া উচিত নয়।”

ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথও এই ঘটনার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন, বলছেন, “যুদ্ধ একটি নরক। যুদ্ধ বিশৃঙ্খলা।” এই দুর্ঘটনা মার্কিন সেনাবাহিনীর জন্য একটি গভীর শোকের মুহূর্ত, যেখানে তাদের সাহস এবং সংকল্পের জন্য গর্ব অনুভূত হচ্ছে।

বর্তমানে, তদন্ত চলছে এবং বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত নয়। দ্বিতীয় বিমানটির অজ্ঞাত ঘটনার বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।