রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার অনিয়মের অভিযোগ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার সময় এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আকিল বিন তালেবের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় টাইপ করা উত্তরপত্র এবং অতিরিক্ত উত্তরপত্র নিয়ে গিয়েছিলেন।
প্রফেসর মর্সেদুল ইসলাম পরীক্ষার সময় এই অনিয়মটি শনাক্ত করেন। তিনি বলেন, “সেই দিন, আমরা তার কাছ থেকে পূর্ববর্তী প্রশ্নের উত্তরগুলোর একটি টাইপকৃত কপি এবং পূর্বে লেখা উত্তরপত্র উদ্ধার করেছি।” এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষণ কমিটির সদস্যরা দাবি করেছেন যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো সম্ভাবনা নেই।
যদি অভিযোগগুলি প্রমাণিত হয়, তবে আকিলের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, যার মধ্যে অন্তত এক বছরের জন্য স্থগিতাদেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ
এদিকে, ৪ মার্চ আস্মা সাদিয়া রুনা নামক এক শিক্ষিকার হত্যাকাণ্ডের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রুনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক কল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং তার তিনটি ছোট সন্তান ছিল।
প্রফেসর ড. তানজিমা জোহরা হাবিব বলেন, “আস্মা সাদিয়া রুনা নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা আজ এই ঘটনার প্রতিবাদে একত্রিত হয়েছি। এটি গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এই হত্যার জন্য ন্যায়বিচার দাবি করছি।”
প্রতিবাদকারীরা হত্যাকারীকে শনাক্ত করার এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। প্রফেসর ড. আখতার হোসেন মজুমদার বলেন, “আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির কাছ থেকে পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছি।”
প্রফেসর গোলাম কিবরিয়া ফেরদৌস উল্লেখ করেন, “রুনা শুধু একজন মা ছিলেন না, তিনি একটি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের অংশ ছিলেন।”
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার অনিয়ম এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলি শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত নয়।



