রুমী এ হোসেনকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গত দুই মাস ধরে এই পদটি শূন্য ছিল। এর আগে শেখ বশির উদ্দিন পদত্যাগ করেন।
নতুন নিয়োগটি নাগরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে করা হয়। বিমান বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে এবং এতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
নতুন বোর্ডে অর্থ বিভাগ সচিব মোঃ খায়রুজ্জামান মজুমদার এবং নাগরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার রয়েছেন।
বোর্ডের প্রথম সভায় ফ্লিট সম্প্রসারণ এবং যাত্রী সেবার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিমানের পরিচালনার ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনগুলি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১৪টি বোয়িং বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি বিমান পরিষেবার উন্নতির লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
বোর্ড পুনর্গঠনের ঘোষণা ২৫ এপ্রিল জারি করা হয়েছিল। তবে, কর্মকর্তারা এখনও কিছু বিষয় নিশ্চিত করেননি, যেমন নতুন চেয়ারম্যানের পরিকল্পনা বা ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।
বিমান পরিচালনার ক্ষেত্রে রুমী এ হোসেনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তিনি আশা করেন যে, বিমানের সেবা এবং কার্যকারিতা বাড়ানো সম্ভব হবে।
এখন দেখার বিষয়, এই পরিবর্তনগুলি বিমানের সামগ্রিক কার্যক্রমে কীভাবে প্রভাব ফেলবে এবং যাত্রীদের জন্য সেবা কেমন হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নতুন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বিমানের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। এটি দেশের নাগরিক বিমান পরিবহন খাতের জন্য একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হতে পারে।
এখনই সময় বিমানের উন্নতির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার, যাতে যাত্রীদের অভিজ্ঞতা উন্নত হয় এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম বৃদ্ধি পায়।



