২০২৬ সালের ১৫ মার্চ, ইউরোপা-পার্ক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বুন্দেসলিগার ম্যাচে এসসি ফ্রেইবুর্গ ০-১ ব্যবধানে ইউনিয়ন বার্লিনের কাছে পরাজিত হয়েছে। ম্যাচের একমাত্র গোলটি ইনজুরি টাইমে Woo-Yeong Jeong দ্বারা করা হয়।
ম্যাচের শুরু থেকেই এসসি ফ্রেইবুর্গ বলের দখলে ছিল এবং তারা আক্রমণের চেষ্টা করছিল, কিন্তু ইউনিয়ন বার্লিনের সুশৃঙ্খল প্রতিরক্ষা তাদেরকে ভাঙতে বাধা দেয়। ফ্রেইবুর্গের প্রত্যাশিত গোল ছিল ১.১১, যেখানে ইউনিয়ন বার্লিনের প্রত্যাশিত গোল ছিল ০.৫৪।
ফ্রেইবুর্গের শেষ ১০টি লিগ ম্যাচে ৪টি জয়, ৪টি পরাজয় এবং ২টি ড্র রয়েছে। তাদের সর্বশেষ ম্যাচে, ফ্রেইবুর্গ বায়ার লেভারকুসেনের বিরুদ্ধে ৪৭% বলের দখল রেখেছিল। অন্যদিকে, ইউনিয়ন বার্লিনের শেষ ১০টি ম্যাচে মাত্র ১টি জয় এবং ৫টি পরাজয় রয়েছে।
ম্যাচের আগে ইউনিয়ন বার্লিন দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের অভাবে ভুগছিল। ফ্রেইবুর্গের গোলরক্ষক নোয়া আতুবোলু শেষ ১০ ম্যাচে একটি ক্লিন শিট রেখেছেন, কিন্তু এই ম্যাচে তিনি গোল খেয়েছেন।
ফ্রেইবুর্গের শীর্ষ স্কোরার ইগর মাতানোভিচ ৪টি গোল করেছেন, কিন্তু এই ম্যাচে তিনি গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেননি। ইউনিয়ন বার্লিনের শীর্ষ সহায়ক ডেরিক কোহেন ২টি সহায়তা করেছেন, কিন্তু তার দল এই ম্যাচে সঠিকভাবে আক্রমণ করতে পারেনি।
ম্যাচের পর, বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন যে এটি নিরপেক্ষ দর্শকদের জন্য খুব কম আকর্ষণীয় ছিল। ফ্রেইবুর্গের জন্য এটি ছিল প্রায় চতুর্থ ০-০ ড্রের মতো, কিন্তু Woo-Yeong Jeong এর শেষ মুহূর্তের গোলটি ইউনিয়ন বার্লিনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জয় এনে দেয়।
ইতিহাসের দিক থেকে, ইউনিয়ন বার্লিন গত ছয় ম্যাচে ফ্রেইবুর্গের বিরুদ্ধে হারেনি, যা তাদের আত্মবিশ্বাসকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
এখন ফ্রেইবুর্গের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যেখানে তাদের পরবর্তী ম্যাচে নিজেদের ফিরে পেতে হবে।



